যে দোয়া পড়লে জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে
ফজরের নামাজের পর কিছু সময় জায়নামাজে বসে জিকির করা ও দোয়া পড়া ।   ছবি: সংগৃহীত

মানুষ সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য মহান আল্লাহর ইবাদত করা। দুনিয়ার জীবনে কেবল সময় অতিবাহিত করা নয়, বরং স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনই মুমিনের প্রধান লক্ষ্য। ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো, একজন মুমিন যদি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করেন, তবে তার প্রতিটি বৈধ কাজই ইবাদতে পরিণত হয়।

মুমিনের দৈনন্দিন জীবনের ঘুম, আহার ও চলাফেরা সবকিছুই সওয়াবের কাজ হতে পারে, যদি তা সঠিক পদ্ধতিতে করা হয়। এর জন্য প্রয়োজন নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় এবং রাসুলুল্লাহ (সা.) এর শেখানো দোয়া ও আমলগুলো দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করা।

রাসুলুল্লাহ (সা.) মানুষের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এমনকি টয়লেটে যাওয়া ও বের হওয়ার দোয়াও তিনি শিখিয়েছেন। ফলে সুন্নাহ অনুসরণের মাধ্যমে একজন মুমিনের সাধারণ কাজগুলোও ইবাদতের মর্যাদা পায়।

ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর কিছু সময় জায়নামাজে বসে জিকির ও দোয়া করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কেউ যদি ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর কারও সঙ্গে কথা বলার আগে এই দোয়াটি সাতবার পাঠ করে এবং সেই রাতেই বা সেই দিনেই তার মৃত্যু হয়, তবে তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হবে।

দোয়া:

اللَّهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান নার।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিন। (আবু দাউদ)