এই ৫টি অভ্যাস নীরবে আপনার স্বাস্থ্যের বারোটা বাজাচ্ছে।
এই ৫টি অভ্যাস নীরবে আপনার স্বাস্থ্যের বারোটা বাজাচ্ছে।   ছবি: সংগৃহীত

কিছু অভ্যাস আছে যেগুলো দেখতে খুব সাধারণ মনে হলেও ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। নিচে এমন পাঁচটি অভ্যাস তুলে ধরা হলো—

১. ওজনভিত্তিক ব্যায়াম না করা

শুধু হাঁটাহাঁটি বা সাধারণ শরীরচর্চা যথেষ্ট নয়। পেশি শক্ত করার ব্যায়াম না করলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের পেশি দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ে। এতে শরীর ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। নিয়মিত ব্যায়াম না করতে পারলে ঘরের কাজ যেমন ভারী জিনিস তোলা, ঘর মোছা বা কাপড় ধোয়ার মতো কাজও শরীরচর্চার অংশ হিসেবে করা যেতে পারে।

২. অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার

দীর্ঘ সময় মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহারে চোখে চাপ পড়ে, ঘুমের মান খারাপ হয়, মনোযোগ কমে যায় এবং মানসিক চাপ বাড়তে পারে। দিনে ২ থেকে ৪ ঘণ্টা স্ক্রিন ব্যবহার তুলনামূলকভাবে সহনীয় ধরা যায়। ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা হলে সতর্ক হওয়ার সময়, আর ৬ ঘণ্টার বেশি হলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়ে ওঠে। ৮ ঘণ্টার বেশি হলে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

৩. সবকিছুতে অতিরিক্ত কঠোরতা

সবকিছু নিখুঁতভাবে করার চেষ্টা বা ছোট ভুলেও নিজেকে দোষারোপ করার অভ্যাস মানসিক চাপ বাড়িয়ে দেয়। এতে উদ্বেগ ও অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। জীবনকে কিছুটা সহজভাবে নেওয়া মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

৪. দীর্ঘ সময় বসে থাকা

একটানা দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এতে ওজন বাড়া, রক্তচাপ বৃদ্ধি এবং রক্তে চিনি বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। যারা পড়াশোনা বা কাজের কারণে দীর্ঘ সময় বসে থাকেন, তাদের নিয়মিত বিরতি নিয়ে হাঁটা-চলা ও শরীর স্ট্রেচ করা উচিত।

৫. অনিয়মিত ঘুম

ঘুমের অনিয়ম শরীর ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এতে মনোযোগ কমে, মেজাজ খারাপ থাকে এবং ক্লান্তি বেড়ে যায়। সুস্থ থাকতে নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: ভেরি ওয়েল মাইন্ড