বেরোবিতে জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
বেরোবিতে জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ছবি: আরটিএনএন

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ও জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৩টায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (আইসিটি ডিভিশন), ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সি এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এ আয়োজন করা হয়।

প্রতিযোগিতাকে কয়েকটি ধাপে ভাগ করা হয়। আইসিটি কুইজে ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণির জুনিয়র এবং ৯ম থেকে ১০ম শ্রেণির সিনিয়র বিভাগ রাখা হয়। এছাড়া সাইবার সিকিউরিটি কুইজে ৬ষ্ঠ-৮ম, ৯ম-১০ম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। একইভাবে প্রোগ্রামিং কনটেস্টেও জুনিয়র, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পৃথক ক্যাটাগরি ছিল।

প্রতিযোগিতায় রংপুর বিভাগের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। তারা প্রোগ্রামিং, সাইবার সিকিউরিটি এবং আইসিটি কুইজে নিজেদের দক্ষতা প্রদর্শন করেন।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের রংপুর জেলা কার্যালয়ের প্রোগ্রামার কেয়া রাণী বলেন, আইসিটি ডিভিশনের অধীনে ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সি নিরাপদ ইন্টারনেট দিবস ও সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড উপলক্ষে এ কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের ঢাকায় পাঠানো হবে। সেখানে পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণের পর তারা জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেবে। জাতীয় পর্যায়ের সেরা তিনজন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

প্রতিযোগিতার আয়োজক ও বেরোবি সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস প্রামাণিক বলেন, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করেছি। এ ধরনের প্রতিযোগিতা নিয়মিত আয়োজন করা হলে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল চিন্তা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বিকশিত হবে।

বেরোবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, প্রতিযোগিতায় সবাই বিজয়ী হতে পারে না। তবে আজ না হোক, কাল একদিন সফলতা আসবেই। যারা বিজয়ী হয়েছে তাদের অভিনন্দন, আর যারা পারেনি, তাদের জন্য ব্যর্থতাই ভবিষ্যৎ সফলতার পথ তৈরি করবে।