সাম্য হত্যার এক বছর পূর্ণ হলো। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এক বছর পেরিয়ে গেলেও এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার দৃশ্যমান অগ্রগতি লাভ করেনি। দেশে চলমান বিচারহীনতার সংস্কৃতি এবং শিক্ষাঙ্গনে নিরাপত্তাহীন বাস্তবতার এটি আরেকটি নির্মম প্রতিচ্ছবি বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ছাত্রশিবির।
বুধবার (১৩ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্যের শাহাদাতবার্ষিকীতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। একই সঙ্গে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁকে ক্ষমা করেন, জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ও শক্তি দান করেন—এ দোয়া করেন নেতারা।
এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও ডাকসু এজিএস মুহা. মহিউদ্দিন খান এবং সেক্রেটারি কাজী আশিক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও এর আশপাশে ধারাবাহিকভাবে সংঘটিত সহিংসতা, হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা এখনও প্রশ্নবিদ্ধ। সাম্য হত্যার মতো বহুল আলোচিত ঘটনারও দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে না পারা শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তাবোধকে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জীবন, নিরাপত্তা ও মতপ্রকাশের অধিকার সমানভাবে মূল্যবান। সম্প্রতি শাহবাগ থানার ভেতরে ডাকসু ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের ওপর সংঘটিত হামলার ঘটনায় মামলা গ্রহণে প্রশাসনিক অনীহা ও অবহেলা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার থাকা সত্ত্বেও মামলা গ্রহণে পুলিশের অনাগ্রহ কেবল অপরাধীদের উৎসাহিত করছে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে তুলছে।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে সাম্য হত্যাকাণ্ডের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও দৃশ্যমান বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে শাহবাগ থানায় ডাকসু ও সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুত মামলা গ্রহণ, সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। বিচারহীনতার সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে সহিংসতার পুনরাবৃত্তি বন্ধ হবে না; বরং তা শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলবে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!