এসির  নিয়মিত ব্যবহারের পাশাপাশি সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ না করলে এতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
এসির নিয়মিত ব্যবহারের পাশাপাশি সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ না করলে এতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।   ছবি: সংগৃহীত

গরমের আগেই এখন অনেক ঘরে নিয়মিত চলছে এয়ার কন্ডিশনার (এসি)। তবে নিয়মিত ব্যবহারের পাশাপাশি সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ না করলে এতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, কিছু সতর্ক সংকেত অবহেলা করলে এসিতে আগুন লাগা বা যান্ত্রিক দুর্ঘটনার মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ কম্প্রেসর অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে তা বড় সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত সার্ভিসিং করানো জরুরি।

আউটার ইউনিট কোথায় স্থাপন করা হয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সরাসরি রোদে থাকলে ইউনিট দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে যায়, ফলে এসির কার্যক্ষমতা কমে এবং যন্ত্রাংশের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এজন্য ছায়াযুক্ত স্থানে ইউনিট রাখা বা প্রয়োজনীয় কভার ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুতের ওঠানামাও এসির জন্য বড় ঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত। হঠাৎ ভোল্টেজ কমে বা বেড়ে গেলে অভ্যন্তরীণ যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই ভালো মানের ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

গ্যাস লিকের বিষয়েও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। আউটার ইউনিটের পাইপে তেলতেলে বা চিটচিটে ভাব দেখা গেলে তা গ্যাস লিকের লক্ষণ হতে পারে, যা কুলিং কমিয়ে দেয় এবং মেশিনে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত আসে শব্দ ও গন্ধ থেকে। এসি চালু অবস্থায় হঠাৎ অস্বাভাবিক শব্দ বা পোড়া গন্ধ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে এসি বন্ধ করে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব লক্ষণ উপেক্ষা করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

সচেতন ব্যবহার ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমেই এসির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।