চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। আগামী ২৩ জুন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রমনা মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক আতিকুল ইসলাম খন্দকার প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন। এ নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সপ্তমবার সময় নিলেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।
২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর মধ্যরাতে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম। মামলায় আসামি করা হয় সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, তার মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, চলচ্চিত্র অভিনেতা ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদকে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহর সঙ্গে দেখা করতে যান তার মা নীলা চৌধুরী, বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরীসহ পরিবারের সদস্যরা। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পর প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু একটা হয়েছে।
এজাহার অনুযায়ী, খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বাসায় গিয়ে দেখেন, সালমান শাহ শয়নকক্ষে নিথর হয়ে পড়ে আছেন এবং কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে বসে ছিলেন সামিরার আত্মীয় রুবি। এ সময় সালমানের মা ছেলেকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে পরিবারের সদস্যরা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার দিন সালমান শাহকে প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দীর্ঘ ২৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো তার মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটিত হয়নি। সালমান শাহর স্ত্রী এ ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে দাবি করলেও তার মা বরাবরই এটিকে পরিকল্পিত হত্যা বলে অভিযোগ করে আসছেন।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!