ককরোচ জনতা পার্টি: জেন-জি ব্যঙ্গ ও প্রতিবাদ
ককরোচ জনতা পার্টি।   ছবি: সংগৃহীত

ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) হলো ভারতের একটি ব্যঙ্গাত্মক ও প্যারোডি রাজনৈতিক আন্দোলন, যা ২০২৬ সালের মে মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এটি কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয়; বরং বেকারত্ব ও শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে তরুণদের প্রতীকী অনলাইন প্রতিবাদের একটি রূপ।

২০২৬ সালের ১৫ মে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এক মন্তব্যে বলেন, কিছু যুবক কর্মসংস্থানের অভাব ও ব্যর্থতার কারণে ‘তেলাপোকার মতো ছড়িয়ে পড়ে’ এবং ‘সমাজের পরজীবী’ হয়ে ওঠে। এই মন্তব্য ঘিরে তরুণদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এর পরদিনই, ১৬ মে ২০২৬, অভিজিৎ দীপকে নেহাত ব্যঙ্গাত্মকভাবে এই আন্দোলনের সূচনা করেন।

বিবিসি বাংলার তথ্য অনুযায়ী, এই আন্দোলনের সদস্যপদ শর্তগুলোও ছিল ব্যঙ্গাত্মক—বেকার, অলস এবং অনলাইনে সক্রিয় থাকা, পাশাপাশি অবিরাম অভিযোগ বা ‘র‍্যান্ট’ প্রকাশের সক্ষমতা থাকা। আন্দোলনটি নিজেকে ‘জিরো স্পনসর’ এবং বেকারদের কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত করে।

যদিও এটি একটি প্যারোডি উদ্যোগ, তবুও এর ইশতেহারে চাকরির নিশ্চয়তা, বেকারভাতা, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং জবাবদিহিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক দাবিগুলো উঠে আসে। অল্প সময়ের মধ্যেই এটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এবং অফলাইনেও প্রতীকী কর্মসূচি দেখা যায়।

পরবর্তীতে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির এক্স অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেয়, যা নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়।