পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে শুরু হওয়া বিজেপির তাণ্ডবে এ পর্যন্ত ২০০টি এফআইআর (প্রথমিক তথ্য বিবরণী) দায়ের করা হয়েছে এবং ৪৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) রাজ্যের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (ডিজিপি) সিদ্ধ নাথ গুপ্ত এই তথ্য জানিয়েছেন।
ডিজিপি জানান, গত ৪ মে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকে সরাসরি সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া আগাম সতর্কতা হিসেবে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ১০০ জনকে আটক করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য সচিব, ডিজিপি এবং রাজ্যে মোতায়েন করা সিএপিএফ-কে ভোট-পরবর্তী সহিংসতার বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' বা শূন্য সহনশীলতা প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়ার একদিন পর ডিজিপি এই বিবৃতি দিলেন।
বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও লোকসভা সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন ও কার্যালয়ের বাইরে থেকে কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও ব্যাখ্যা দেন ডিজিপি।
তিনি বলেন, ‘বর্তমান পদের কারণে প্রটোকল অনুযায়ী তারা যে নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারী, তা বহাল রয়েছে। তবে আগে তারা যে অতিরিক্ত নিরাপত্তা পেতেন, তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেই নিরাপত্তা কর্মীদের বর্তমানে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত করা হয়েছে।’
ডিজিপি সাধারণ মানুষের প্রতি আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে পুলিশের দ্বারস্থ হন। কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে যদি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ নাও পাওয়া যায়, প্রয়োজনে পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে (সুয়ো মোটো) মামলা করবে।’
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ৪ মে-র পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে ভোট-পরবর্তী সহিংসতা রোধে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) ৫০০ কোম্পানি মোতায়েন রয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই বাহিনী রাজ্যেই অবস্থান করবে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!