তুরস্কের জনপ্রিয় হরর ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘সিচিন’ সিরিজের নতুন কিস্তি ‘সিচিন ৯’ আজ শুক্রবার আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে
তুরস্কের জনপ্রিয় হরর ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘সিচিন’ সিরিজের নতুন কিস্তি ‘সিচিন ৯’ আজ শুক্রবার আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে   ছবি: সংগৃহীত

তুরস্কের জনপ্রিয় হরর ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘সিচিন’ সিরিজের নতুন কিস্তি ‘সিচিন ৯’ আজ শুক্রবার আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। একই দিনে বাংলাদেশে স্টার সিনেপ্লেক্সেও সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে মাল্টিপ্লেক্সটি।

সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আলপার মেস্তচি, যিনি তুর্কি জিন, কালোজাদু ও অতিপ্রাকৃত হরর বিষয়ক চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য পরিচিত। ‘সিচিন’ সিরিজটি তুর্কি হরর ঘরানার অন্যতম জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে বিবেচিত।

সিরিজের নবম কিস্তি ‘সিচিন ৯’-এর কাহিনি একটি অন্ধকার প্রাচীন অভিশাপকে কেন্দ্র করে। একটি রহস্যময় মৃত্যুর পর সেই অভিশাপ পুনরায় সক্রিয় হয়ে একটি পরিবারের বংশধারায় ভয়াবহ প্রভাব ফেলে। গল্পে দেখা যায়, এক মা তার সন্তানকে রক্ষা করতে নিষিদ্ধ কালোজাদুর আশ্রয় নেন। তবে সেই জাদুর সঙ্গে বহু বছর আগের একটি হত্যাকাণ্ডের রহস্য জড়িয়ে গিয়ে শুরু হয় ভয়ংকর অভিশাপের বিস্তার।

গল্পের মূল চরিত্র কেমাল তার বাবাকে না দেখেই বড় হয়। পরে সে বাবার পুরোনো বাড়িতে ফিরে গেলে সেখানে লুকিয়ে থাকা পারিবারিক অভিশাপ ও অতিপ্রাকৃত শক্তির মুখোমুখি হয়। এরপর জিন, অভিশাপ ও রক্তাক্ত ঘটনার এক ভয়াবহ অধ্যায় শুরু হয়।

সিরিজের প্রথম সিনেমা মুক্তি পায় ২০১৪ সালে। আলপার মেস্তচি এর আগে ‘ডেইব’ সিরিজ দিয়ে পরিচিতি পেলেও ‘সিচিন’ তাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও পরিচিত করে তোলে। এই সিরিজের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো পশ্চিমা ধাঁচের জাম্প-স্কেয়ার হররের পরিবর্তে তুর্কি ও ইসলামিক লোকবিশ্বাসকে ভিত্তি করে ভয় তৈরি করা। এতে জিন, রুকইয়া, কালোজাদু, কবর ও পারিবারিক গোপন পাপের মতো বিষয়গুলোকে বাস্তবধর্মীভাবে উপস্থাপন করা হয়।

গত এক দশকে এটি তুরস্কের অন্যতম সফল সুপারন্যাচারাল হরর ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার হররপ্রেমীদের মাঝেও এর জনপ্রিয়তা রয়েছে। কম বাজেটের হলেও ধারাবাহিকভাবে বক্স অফিসে ভালো সাড়া পাওয়ায় নিয়মিত নতুন কিস্তি তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে এটি তুরস্কের দীর্ঘতম চলমান হরর সিরিজগুলোর একটি।

এরই মধ্যে ‘সিচিন ৯’-এর ট্রেলার দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, এটি সিরিজের সবচেয়ে ভয়ংকর কিস্তি হতে পারে।

এমআর/আরটিএনএন