দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়জগতে সক্রিয় থেকেও নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কারের তাগিদ হারাননি পাওলি দাম। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নানা ধরণের চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে বারবার ভেঙে গড়েছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই অভিনেত্রী তার কাজের অভিজ্ঞতা, নতুন প্রকল্প এবং ব্যক্তিগত ভাবনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন।
২০০৩ সালে টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘জীবন নিয়ে খেলা’ দিয়ে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন পাওলি। এরপর ২০০৯ সালে কালবেলা সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শক ও সমালোচকদের নজরে আসেন তিনি। অভিনয়ের দক্ষতা ও পর্দা উপস্থিতির কারণে খুব অল্প সময়েই ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের অবস্থান তৈরি করেন। পরবর্তীতে ২০১২ সালে হেট স্টোরি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে তার, যা তাকে আরও বিস্তৃত দর্শকগোষ্ঠীর কাছে পরিচিত করে তোলে।
সাম্প্রতিক কাজ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পাওলি জানান, দীর্ঘ বিরতির পর আবার নাচের সুযোগ পেয়ে তিনি বেশ উচ্ছ্বসিত। সাধারণত তাকে সিরিয়াস চরিত্রে দেখা যায় বলে নাচ-গানের সুযোগ খুব কমই আসে। তবে নতুন সিনেমায় তিনি সেই সুযোগ পেয়েছেন, যা তার জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে। এই সিনেমায় নাচ, গান এবং অ্যাকশনের সমন্বয় থাকায় কাজটি তার কাছে চ্যালেঞ্জিং হলেও উপভোগ্য ছিল বলে জানান অভিনেত্রী।
এর আগে গ্যাং অফ ঘোস্ট সিনেমায় আইটেম ড্যান্সে অংশ নিলেও এবারের কাজকে তিনি সম্পূর্ণ আলাদা হিসেবে দেখছেন। তার মতে, নতুন প্রজেক্টে চরিত্রের গভীরতা ও বৈচিত্র্য তাকে আরও বেশি আকৃষ্ট করেছে।
সহশিল্পী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়-এর সঙ্গে আবারও কাজ করার অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নেন পাওলি। তিনি মনে করেন, বড় পর্দায় নারী চরিত্রের শক্তিশালী জুটি আরও বেশি দেখা উচিত। প্রচলিত ধারা ভেঙে নতুন গল্প এবং নারীকেন্দ্রিক কনটেন্ট তৈরি হলে দর্শকরাও তা সাদরে গ্রহণ করবে বলে বিশ্বাস তার।
ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পাওলি জানান, বয়স ধরে রাখার জন্য আলাদা কোনো প্রচেষ্টা তিনি করেন না। বরং মানসিকভাবে ভালো থাকা এবং অপ্রয়োজনীয় চাপ এড়িয়ে চলাকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দেন। তার মতে, ভেতর থেকে ভালো থাকাই বাহ্যিক সৌন্দর্যে প্রতিফলিত হয়।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার না পাওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, তার অভিনীত অনেক কাজ প্রশংসিত হলেও ব্যক্তিগতভাবে এখনো পুরস্কার পাননি। তবে এ নিয়ে তার কোনো আক্ষেপ নেই। বরং তিনি বিশ্বাস করেন, সঠিক সময় এলে স্বীকৃতিও আসবে।
শুটিংয়ের সময় ঝুঁকি নেয়ার বিষয়েও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এই অভিনেত্রী। তার মতে, একজন অভিনেতা ভালো শটের জন্য নিজের সর্বোচ্চটা দিতে প্রস্তুত থাকেন, যেখানে কখনো কখনো ঝুঁকিও নিতে হয়। তবে সেই ঝুঁকি যেন অপ্রয়োজনীয় না হয় এবং নিরাপত্তা সবসময় অগ্রাধিকার পায়—এই বিষয়টিই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন।
শিমু/এসএস
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!