বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে বেরোবিতে র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন,
র‌্যালির দৃশ্য।   ছবি: আরটিএনএন

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ।

০৩ মে (রবিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি হেয়াত মামুদ ভবন থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়ে বিজয় সড়ক ও কৃষ্ণচূড়া সড়ক ঘুরে মিডিয়া চত্বরে এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের একটি কক্ষে আলোচনার আয়োজন করা হয়, যাতে ওই বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী তাওফিক বলেন, “সংবাদকে সমাজের দর্পণ বলা হয়। সমাজে যা ঘটে তা সঠিকভাবে প্রকাশের জন্য মুক্ত গণমাধ্যমের প্রয়োজন। সংবাদকে যদি সেন্সরশিপের আওতায় আনা হয়, তাহলে আর মুক্ত গণমাধ্যমের চর্চা হয় না।”

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম বলেন, “সারা বিশ্বে পেশাজীবী সাংবাদিকদের জন্য মুক্ত ও স্বাধীন পরিবেশ সৃষ্টি করতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমাদের একমত হতে হবে যে, একটি রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য স্বাধীন সাংবাদিকতা অপরিহার্য। যারা পেশাজীবী সাংবাদিকদের ওপর হুমকি ও নির্যাতন চালায়, তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা সরকারের দায়িত্ব।”

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক তাবিউর রহমান প্রধান বলেন, ‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস সংগঠন প্রতিবছর যে সূচক প্রদান করে, সেখানে বাংলাদেশের অবস্থান গত বছরের তুলনায় তিন ধাপ পিছিয়ে ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৫২তম স্থানে। আমাদের জন্য এটি দুর্ভাগ্যজনক যে, যেখানে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার কথা, সেখানে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। সে ক্ষেত্রে একটি পক্ষকে দায়ী করলে হবে না। আমরা মনে করি, দেশের শাসনব্যবস্থা, সরকার থেকে শুরু করে গণমাধ্যমের মালিকানা এবং যারা গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে কাজ করি বা গণমাধ্যম নিয়ে চিন্তা করি—সবারই এই সমস্যা নিরসন করা উচিত। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সাংবাদিক হয়রানির বিষয়টি নিরসন করা সম্ভব।’