কক্সবাজারের রামুর ‘আতঙ্কের সড়ক’ হিসেবে পরিচিত ঈদগাঁও–ঈদগড় সড়ক থেকে অপহরণের শিকার ইউপি সদস্য রুস্তম আলী অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরেছেন। তবে কীভাবে তিনি মুক্ত হলেন—তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন দাবি, আর সেখানেই জন্ম নিয়েছে ধোঁয়াশা।
বুধবার (২২ এপ্রিল) ভোরে বাড়ি ফেরার পথে পানেরছড়া ঢালা এলাকায় ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল তাকে আটক করে পাহাড়ি জঙ্গলে নিয়ে যায়। ঘটনাটি জানাজানি হতেই পরিবারে নেমে আসে আতঙ্ক। কিছুক্ষণের মধ্যেই অপহরণকারীরা ফোন করে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
দিনভর উৎকণ্ঠা আর দৌড়ঝাঁপের পর রাতের দিকে রুস্তম আলী ফিরে আসেন। তবে তার মুক্তির পেছনের গল্পটা এক নয়।
পরিবারের দাবি, দীর্ঘ দর-কষাকষির পর মুক্তিপণের অঙ্ক ৩০ লাখ থেকে কমে ৮ লাখ টাকায় আসে। রুস্তম আলীর চাচা জানান, নির্ধারিত স্থানে পাহাড়ি বনের ভেতরে নগদ টাকা দেওয়ার পরই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের কেউ কেউও একই ধরনের তথ্য দিয়েছেন।
কিন্তু পুলিশের বক্তব্য ভিন্ন। তাদের দাবি, অপহরণের খবর পাওয়ার পরপরই অভিযান শুরু করা হয় এবং দিনের পর দিন নয়, বরং টানা অভিযানের ফলেই জীবিত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। পুলিশ বলছে, মুক্তিপণ লেনদেনের বিষয়ে তাদের কাছে কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।
এদিকে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি, তবে পাহাড়ি এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয়ভাবে রুস্তম আলীকে ঘিরে আগে থেকেই নানা বিতর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলার কথাও বলছে পুলিশ।
সব মিলিয়ে, অপহরণের পেছনে পুরোনো বিরোধ, নাকি অন্য কোনো দ্বন্দ্ব তা এখনো স্পষ্ট নয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে, আর এদিকে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে নতুন করে উদ্বেগ ও কৌতূহল।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!