রোববার (১০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
উপাচার্য বলেন, তার প্রশাসনের সময়েই সাবেক ফ্যাসিবাদী সরকারের ছাত্রসংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রায় ১০ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এমন বাস্তবতার পরও আওয়ামী পুনর্বাসনের অভিযোগ তোলা দুঃখজনক।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আপৎকালীন পরিচালনা কমিটিতে একজন শিক্ষককে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। অথচ ওই শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দায়িত্বে রয়েছেন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসকের দায়িত্বও পালন করেছেন। তার বিরুদ্ধে আগে কখনও কোনো অভিযোগ ওঠেনি।
উপাচার্য দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অডিট আপত্তিকে কেন্দ্র করে যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তা “হাস্যকর”। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অডিট পর্যবেক্ষণ একটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, যা সময়ের সঙ্গে নিষ্পত্তি হয়ে যায়।
তিনি অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু গোপন নথি অসৎ উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা।
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে উপাচার্য জানান, গত এক বছরে ২৯ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১০ জন বিদেশি পিএইচডিধারী শিক্ষক রয়েছেন।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!