চা বিরতির পর প্রথম তিন ওভারেই অলআউট হয়ে গেছে পাকিস্তান। ১০ রান করে ফিরেছেন শেহজাদ। পাকিস্তানের সাজিদ শেষ দিকে কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও নাহিদ রানার বোলিং দাপটে ২৩২ রানে অলআউট হয়েছে বাবর আজমের দল। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের লিড পেয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে এখন টাইগাররা।
মাঝে বাবর আজমের ইনিংস বাদে প্রায় পুরো সময়েই নিয়ন্ত্রণটা ছিল বাংলাদেশের হাতে। ফলে স্বাগতিকদের বড় লিড পাওয়াই ছিল স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু অলআউট হওয়ার আগে পাকিস্তান লেজের আঘাত দিয়েছে। ২৮ বলে ৩৮ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে ব্যবধান কমিয়েছেন নয় নম্বরে নামা সাজিদ খান। শেষ পর্যন্ত সফরকারীদের ২৩২ রানে গুটিয়ে দিয়ে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের লিড পায়।
এর আগে সিলেট টেস্টে দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনেও আধিপত্য ধরে রাখে নাহিদ রানারা। প্রথম সেশনের মতো এই সেশনেও ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেয় টাইগার বোলাররা। বাবর আজম, সালমান, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও হাসান আলী—সবাইকে হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান।
দ্বিতীয় সেশনে ২৫ ওভার খেলে পাকিস্তান সংগ্রহ করে ১১০ রান। সবমিলিয়ে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেটে ২০৬ রানে চা-বিরতিতে যায় তারা। সর্বশেষ তাইজুল ইসলামের বলে মাত্র ১৩ রানে ফিরেন রিজওয়ান।
এর আগে নাহিদ রানার ভ্যারিয়েশনে বিভ্রান্ত হয়ে মিড-অনে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বাবর আজম। তিনি করেন ৬৮ রান। এরপর হাসান আলীও বেশি দূর যেতে পারেননি—তাইজুল ইসলামের বলে লং-অনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ১৮ রানে। দুই বারের চেষ্টায় দারুণ ক্যাচ নেন নাহিদ রানা।
সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং ব্যর্থতার পরও লিটন কুমার দাসের সেঞ্চুরিতে ২৭৮ রান করে বাংলাদেশ। এরপর বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে এখন ম্যাচে শক্ত অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
পাকিস্তানকে ২৩২ রানে অলআউট করে ৪৬ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই বাংলাদেশের দিকেই ঝুঁকে আছে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৭৮ (লিটন ১২৬, নাজমুল ২৯, তানজিদ ২৬, মুশফিক ২৩, মুমিনুল ২২; খুররম ৪/৮১, আব্বাস ৩/৪৫)।
পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ২৩২ (বাবর ৬৮, সাজিদ ৩৮, সালমান ২১; তাইজুল ৩/৬৭, নাহিদ ৩/৮০, মিরাজ ২/২১, তাসকিন ২/৩৭)।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!