• বিনা উইকেটে দিন পার পাকিস্তানের
  • প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান সংগ্রহ টাইগারদের
  • অবশেষে ফিরলেন লিটন
  • লিটনের লড়াকু সেঞ্চুরি
  • ২০০ পেরোলো বাংলাদেশ
  • চাপের মুখে অর্ধশত লিটনের
  • বিরতির পর আউট তাইজুল
  • প্রতিরোধের আশায় চা বিরতিতে টাইগাররা
  • হঠাৎ ছন্দপতন টাইগারদের
  • বিদায় নিলেন শান্ত
  • দুদলের একাদশ
  • প্রথম সেশনে ৩ উইকেট হারালো বাংলাদেশ
বিনা উইকেটে দিন পার পাকিস্তানের
প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান সংগ্রহ টাইগারদের
অবশেষে ফিরলেন লিটন
লিটনের লড়াকু সেঞ্চুরি
২০০ পেরোলো বাংলাদেশ
চাপের মুখে অর্ধশত লিটনের
বিরতির পর আউট তাইজুল
প্রতিরোধের আশায় চা বিরতিতে টাইগাররা
হঠাৎ ছন্দপতন টাইগারদের
বিদায় নিলেন শান্ত
দুদলের একাদশ
প্রথম সেশনে ৩ উইকেট হারালো বাংলাদেশ

বিনা উইকেটে দিন পার পাকিস্তানের

বাংলাদেশের ২৭৮ রানের জবাবে কোনে উইকেট না হারিয়ে ২১ রান তুলে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান। সফরকারীদের পক্ষে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নামেন আব্দুল্লাহ ফজল ও আজান আওয়াইস।

মাত্র ৬ ওভার ব্যাটিংয়ের পরই দিনের খেলা সমাপ্ত ঘোষণা করেন আম্পয়ার। ফজল ৮ ও আজান ১৩ রানে অপরাজিত আাছেন। আগামীকাল (রবিবার) এখান থেকে দ্বিতীয় দিনের ব্যাটিং শুরু করবেন দুই পাকিস্তানি ব্যাটার। 

প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান সংগ্রহ টাইগারদের

ব্যাটিং বিপর্যয় এড়িয়ে লিটন দাসের সেঞ্চুরির সুবাদে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান তুলতে সমর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। শেষ উইকেট হিসেবে নাহিদ রানা আউট হলে সমাপ্ত হয় প্রথম ইনিংসের খেলা।

প্রথম ইনিংসে ৭৭ ওভার ব্যাটিং করেছে স্বাগতিকরা। যেখানে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই সাজঘরে ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়।

লিটন দাসের ১২৬ রানের পাশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন টাইগার দলপতি নাজমুল হোসেন শান্ত। এছাড়া তানজিদ হাসান তামিম ২৬, মুশফিকুর রহীম ২৩, মুমিনুল হক ২২ ও তাইজুল ইসলাম করেন ১৬ রান। শরিফুল ইসলাম অপরাজিত থাকেন ১২ রানে। 

পাকিস্তানের পক্ষে খুররম শাহজাদ চারটি, মোহাম্মদ আব্বাস তিনটি, হাসান আলী দুটি ও সাজিদ খান একটি উইকেট শিকার করেন।

অবশেষে ফিরলেন লিটন

শেষ পর্যন্ত হাসান আলীর কাছে হার মানলেন লিটন কুমার দাস। সেঞ্চুরি করে হাত খুলে খেলছিলেন তিনি। দলীয় স্কোর বাড়ানোর লক্ষ্যেই আক্রমানাত্মক হন তিনি। 

কিন্তু বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে আব্দুল্লাহ ফজলের হাতে ধরা পড়েন লিটন। ১৫৯ বলে ১২৬ রান করে নিজ ইনিংসের ইতি টানেন তিনি। ১৬টি চার ও দুটি ছক্কা মারেন তিনি।

লিটনের লড়াকু সেঞ্চুরি

ব্যাটিং বিপর্যয়ের মাঝে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন লিটন কুমার দাস। পাকিস্তানি বোলারদের চোখ রাঙানি বা সতীর্থ ব্যাটারদেরে আত্মসমর্পণ- কোনকিছুই ভড়কে দিতে পারে নি তাকে। 

পুরস্কার হিসেবে ম্যাজিক ফিগারের দেখা পেয়েছেন লিটন। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন দাপুটে ভঙ্গিমায়। 

অর্ধশত করতে লিটন নিয়েছিলেন ৯৩ বল। আর সেঞ্চুরি করলেন ১৩৫ বলে। মানে পরবর্তী পঞ্চাশ করতে নিয়েছেন ৪২ বল। 

সেঞ্চুরির পথে ১৩টি চার ও ১টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন লিটন। দলীয় স্কোরও এগিয়েছে আড়াইশোর কাছে।

২০০ পেরোলো বাংলাদেশ

৭ উইকেট পতনের পর গুটিয়ে যাবার শঙ্কার মধ্যে বাংলাদেশ। এরমধ্যেই লিটনের কাঁধে ভর করে ২০০ রান পেরিয়েছে স্বাগতিকরা। 

৬২ ওভার ৩ বলে ২০০ পেরোয় টাইগাররা। এরপর হাত খুলে মারতে শুরু করেন লিটন দাস। 

দলীয় ২১৪ রানে তাসকিন আহমেদ আউট হওয়ায় দলীয় স্কোর বড় হবার শঙ্কা আরও বাড়লো। ৭ রান করে আউট হয়েছেন তাসকিন। 

এর মাধ্যমে চতুর্থ উইকেট শিকার করলেন খুররম শাহজাদ। নতুন ব্যাটসম্যান শরিফুল ইসলাম।

চাপের মুখে অর্ধশত লিটনের

চাপের মুখে ভেঙে পরেন নি লিটন কুমার দাস। বিপরীত প্রান্তে একে একে তিন সতীর্থকে বিদায় নিতে দেখলেও নিজে লড়াই করে তুলে নিয়েছেন দারুণ অর্ধশত। লিটন যখন উইকেটে আসেন বাংলাদেশের রান তখন ৪ উইকেটে ১০৬। এরপর দ্রুতই স্বাগতিকরা হারায় মুশফিক ও মিরাজকে।

তাইজুল, তাসকিনদের মতন ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে নিয়েই টেস্ট ক্যারিয়ারের ২০তম ফিফটি করেছেন লিটন। ৯৩ বলে চারটি চারের সাহায্যে অর্ধশতে পৌঁছান লিটন।

সিলেট টেস্টে ক্যারিয়ারের ২০তম অর্ধশত তুলে নিয়েছেন লিটন কুমার দাস।

বিরতির পর আউট তাইজুল

শেষ সেশনের ৫৮তম ওভারের প্রথম বলে তাইজুল ইসলামকে বোল্ড করেন সাজিদ খান। ৪০ বলে ১৬ রান করেন তাইজুল। লিটন-তাইজুলের সম্ভাবনাময় জুটি থামলো ৬০ রানে।

দলীয় ১৭৬ রানে সপ্তম উইকেট হারালো বাংলাদেশ। নতুন ব্যাটসম্যান তাসকিন।

প্রতিরোধের আশায় চা বিরতিতে টাইগাররা

দ্বিতীয় সেশন শেষে বাংলাদেশ: ৫৪ ওভারে ১৬৮/৬।

প্রথম সেশনে ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশ দ্বিতীয় সেশনেও হারিয়েছে ৩ উইকেট। প্রথম ১৫ রান তুলতেই আউট হয়েছেন শান্ত, মুশফিক ও মিরাজ।

এরপর লিটন দাস ও তাইজুল ইসলাম গড়েছেন ৫২ রানের জুটি। ৭৭ বলে ৪২ রান করেছেন লিটন। আর ৩১ বলে ১১ রান করেছেন তাইজুল। একটা সম্মানজনক স্কোর গড়তে মূলত এ জুটির দিকেই তাকিয়ে টাইগার শিবির।

পাকিস্তানের পক্ষে তিনটি করে উইকেট শিকার করেছেন মোহাম্মদ আব্বাস ও খুররম শাহজাদ। শেষ সেশনে তারা আরও শিকারের নেশায় নামবেন সেটা বোঝাই যায়। আজকের দিন বাংলাদেশ টিকে থাকতে পারে কিনা, সেটাই এখন টাইগার সমর্থকদের ভাবনা।

আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরার পথে মুশফিকুর রহীম।

 

হঠাৎ ছন্দপতন টাইগারদের

১০৬ থেকে ১১৬ রান হতেই নেই তিন উইকেট! খুররম শাহজাদ ও মোহাম্মদ আব্বাসের বলে যেন ধার বেড়ে গেছে। যেখানে একে একে কাটা পড়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহীম ও মেহেদী হাসান মিরাজ।

দলীয় ১১০ রানে খুররম শাহজাদের পেসে পরাস্ত হয়ে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন মুশফিক। ৬৪ বলে ২ চারে ২৩ রান করেন তিনি।

১১৬ রানে খুররম শাহজাদের বলে হাসান আলীর হাতে ক্যাচ দেন মিরাজ। বাউন্সারে যেন খেই হারিয়েছিলেন তিনি। এর মাধ্যমে ষষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটে বাংলাদেশের।

মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ১৫ রান তুলতে ৩ উইকেট খুইয়ে বসেছে বাংলাদেশ।

৪৫.৪ ওভারে ৬ উইকেটে দলীয় ১৪৩ রান নিয়ে এখন ক্রিজে আছেন লিটন দাস ও তাইজুল ইসলাম।

বিদায় নিলেন শান্ত

মোহাম্মদ আব্বাসের অফ স্টাম্পের বাইরে খাটো ও বাঁকানো বল। বলটি খেলবেন নাকি ছেড়ে দেবেন, এই দ্বিধায় ছিলেন নাজমুর হোসেন শান্ত। সেই দ্বিধার মধ্যেই ব্যাট চালালে কানায় হালকা লেগে বলটি চলে যায় পিছনে। বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিচু হয়ে এক দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়েছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান!
৭৪ বলে ২৯ রান করে সাজঘরে ফিরলেন শান্ত। ১০৬ রানে ৪ উইকেট খোয়ালো বাংলাদেশ। 
দুর্দান্ত বোলিং করছেন আব্বাস ও সাজিদ জুটি। উইকেট শিকারের পাকিস্তানের উল্লাস তাই বজায় থাকবে বলে আশঙ্কা টাইগার সমর্থকদের!

দুদলের একাদশ

পাকিস্তান একাদশ

আজান আওয়াইস, শান মাসুদ (অধিনায়ক), বাবর আজম, আব্দুল্লাহ ফজল, সৌদ শাকিল, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), সালমান আগা, খুররম শাহজাদ, সাজিদ খান, হাসান আলী ও মোহাম্মদ আব্বাস।

পাকিস্তান একাদশে এসেছে ৩ পরিবর্তন। একাদশে ফিরেছেন বাবর আজম, সাজিদ খান ও খুররম শেহজাদ। বাদ পড়েছেন ইমাম-উল হক, নোমান আলি ও শাহীন শাহ আফ্রিদি।

বাংলাদেশ একাদশ

টাইগার একাদশে এসেছে দুটি পরিবর্তন। আঙুলের চোট শঙ্কা কাটিয়ে ফিরেছেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মাহমুদুল হাসান জয়। আর ইবাদত হোসেনের বদলে সুযোগ পেয়েছেন বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম।

নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মাহমুদুল হাসান জয়, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহীম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলাম।

প্রথম সেশনে ৩ উইকেট হারালো বাংলাদেশ

 প্রথম সেশনের খেলা হয়েছে ২৬ ওভার। এই সেশনে মাহমুদুল হাসান, তানজিদ হাসান তামিম ও মুমিনুল হককে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে সাজঘরে ফেরেন মাহমুদুল হাসান।

এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ৫৮ বলে ৪৪ রানের জুটি গড়েন মুমিনুল ও তানজিদ তামিম। ১০ম ওভারে ২৬ রান করে আউট হন তানজিদ। এরপর মুমিনুলের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে যোগ দেন নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু এ জুটি বড় হয়নি। ১৬তম ওভারে ২২ রান করে মুমিনুল বোল্ড আউট হওয়ায় ভেঙে যায় তাদের ১৯ রানের জুটি।

চতুর্থ উইকেটে ৩৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে লাঞ্চ বিরতিতে যান মুশফিকুর রহীম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। মুশফিক ১৮ ও নাজমুল ২৬ রানে অপরাজিত ছিলেন।

পাকিস্তানের হয়ে মো. আব্বাস ২টি এবং খুররম শাহজাদ ১টি উইকেট নিয়েছেন।