সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়া জামায়াতের ইসলামীর নেতা হামিদুর রহমান আজাদের প্রতি দলটির সেক্রেটারি প্রয়োজনীয় সহানুভূতি ও দায়বদ্ধতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অসুস্থ নেতার সুস্থতা কামনা করে জামায়াত নেতৃত্বের এই আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন।
পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-
জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আজাদ ভাইয়ের সুস্থতার জন্য দোয়া করি। তবে একটা জিনিস খুবই খারাপ লাগলো, সাংবাদিক সম্মেলন চলাকালীন সময়ে তিনি অসুস্থ হওয়ার পরে তার প্রতি জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের যে সহানুভূতি দেখানো দরকার ছিলো, সেটা পরিলক্ষিত হয়নি। এমনকি ২ জন সিনিয়র নেতা তাকে ধরার পর সাথে সাথে অন্যদের কাছে হ্যান্ডওভার করে এবং তারা আবারও সাংবাদিক সম্মেলনে দাঁড়িয়ে যায়। এই দৃশ্য দেখে মনে হলো, সহযোদ্ধাকে রক্ষা করে হাসপাতালে নেওয়ার চেয়ে তাদের মিডিয়া ফুটেজ আগে দরকার। দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধার প্রতি সবার কেমন যেন একধরনের অবহেলা পরিলক্ষিত হলো!
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের বক্তব্য এই অবহেলা আরও স্পষ্ট হলো! তিনি বলে উঠলেন, অসুস্থ? তাকে চেয়ারে বসতে দাও! তার ( সেক্রেটারি জেনারেলের) বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে মনে হলো হামিদুর রহমান আজাদ ভাইয়ের কিছুই হয়নি! অথচ এমন অবস্থায় সংবাদ সম্মেলন বন্ধ করে আগে হামিদুর রহমান আজাদ ভাইকে সকলে ধরে হাসপাতালে নেওয়া দরকার ছিলো! কিন্তু সেই দরদ দেখাতে সকলেই ব্যর্থ হলো। নিজের সহযোদ্ধাদের প্রতি যাদের ন্যূনতম দায়বদ্ধতা নাই, তারা নাকি জনদাবির প্রেক্ষিতে লংমার্চ করতে যাচ্ছে! আজকে নারায়ণগঞ্জে একজন জামায়াত নেতাকে আওয়ামীলীগ কুপিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। কিন্তু সেটি নিয়ে কোন প্রতিবাদ আছে? মনে হচ্ছে আওয়ামীলীগ ১৬ বছরে কোন অপরাধ করে নি, ৬ মাসের বিএনপি সরকার আওয়ামীলীগের থেকে বেশি অপরাধ করে ফেলেছে!
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!