ঢাকার ডিসির কাছে মিয়া গোলাম পরওয়ারের চিঠি পৌঁছে দেন ড. হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল।
ঢাকার ডিসির কাছে মিয়া গোলাম পরওয়ারের চিঠি পৌঁছে দেন ড. হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল।   ছবি : সংগৃহীত

১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আগামী ৩১ অক্টোবর (শনিবার) ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়নে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসককে (ডিসি) চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ারের পক্ষে ওই চিঠি পৌঁছে দেয়।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ড. হেলাল উদ্দিন। তিনি জানান, আট দফা দাবিতে আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা-কুষ্টিয়ার উদ্দেশে শান্তিপূর্ণ লংমার্চ কর্মসূচি পালন করবে ১১ দলীয় ঐক্য।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধ করা।

ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, ৩১ অক্টোবর সকালে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে উদ্বোধনী সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চ শুরু হবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেবেন।

লংমার্চের পথে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা, বাগেরহাটের ফকিরহাট কাটাখালী মোড়, খুলনার শিববাড়ী মোড় (বাবরি চত্বর), খুলনার ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বর, যশোরের মুজদী মোড় এবং চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এসব পথসভায় জাতীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেবেন।

সবশেষে কুষ্টিয়া জেলা স্কুল মাঠে লংমার্চের সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, লংমার্চের গাড়িবহর, জনসভা ও পথসভাগুলো যাতে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, সে জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি জানান, কর্মসূচি চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় পুলিশ, ট্রাফিক ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের সর্বাত্মক সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

এসব বিষয়ে সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ঢাকা জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়েছেন। বুধবার প্রতিনিধি দলের মাধ্যমে চিঠিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৌঁছে দেওয়া হয় এবং কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করেছে।