যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন এনসিপি নেতা ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
মঙ্গলবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এ নিন্দা জানান। পাশাপাশি দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের শুরুর দাবি জানান তিনি।
নাহিদ ইসলাম লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টা আবারও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির নির্মম, সহিংস ও অমানবিক চরিত্রকে উন্মোচিত করেছে। আমরা ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসীদের এমন অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
তিনি লিখেছেন, ‘এ দেশের জনগণের কাছে চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার দুই বছর পরও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনীর চরিত্রে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন আসেনি। তাদের মধ্যে অতীতের অপকর্মের জন্য ন্যূনতম অনুশোচনার কোনো লক্ষণও নেই।’
‘দেশে-বিদেশে সক্রিয় এই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ককে সম্পূর্ণভাবে প্রতিহত করতে হবে। জুলাই গণহত্যাসহ ফ্যাসিস্ট আমলের গুম, খুনে জড়িতদের বিচার শেষ করে দ্রুত রায় কার্যকর করতে হবে। এছাড়া গণহত্যা ও সন্ত্রাসের দায়ে অবিলম্বে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু করতে হবে।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘জাতির ক্রান্তিকালে দেশের হাল ধরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া অর্থনীতি পুনর্গঠনে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্যরা। তাঁদের সবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’অর্থনীতি শিখুন
সোমবার কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে দোহা থেকে নিউ ইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে পৌঁছান ড. ইউনূস। পরে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর টার্মিনালে তাকে হেনস্তা করে কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি।
একটি ভিডিওতে দেখা যায়, হুইলচেয়ারে করে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় ড. ইউনূসকে লক্ষ্য করে নানা মন্তব্য করছেন কয়েকজন প্রবাসী। তাদের মুখে ‘ইউ আর টেররিস্ট’, ‘ইউ কিল্ড বাংলাদেশিজ’, ‘গো ব্যাক’, ‘ইউ ডেস্ট্রয় ডেমোক্রেসি’ এবং ‘ইউ কিল্ড থাউজেন্ডস অব পুলিশ’— এ ধরনের বক্তব্য শোনা যায়।
ভিডিওতে দেখা যাওয়া ঘটনার পর নিরাপত্তাকর্মীরা ড. ইউনূসকে দ্রুত সেখান থেকে নিয়ে যান। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ইউনূস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক লামিয়া মোর্শেদও দ্রুত বিমানবন্দরের ভেতরে চলে যান বলে জানিয়েছেন সেখানে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি।
হেনস্তাকারী প্রবাসীদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তারা দেশে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সমর্থক বলে সোশাল মিডিয়ায় অনেকে দাবি করছেন।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!