মালয়েশিয়ায় এশিয়া-প্যাসিফিক সম্মেলনে জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পারওয়ার।   ছবি: আরটিএনএন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পারওয়ারের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী এশিয়া-প্যাসিফিক আঞ্চলিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছে।

শনিবার (১৬মে) ‘এশিয়া-প্যাসিফিকে ইসলামী কৌশলগত সহযোগিতা: প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে অগ্রগতির পথ’ শীর্ষক এ সম্মেলনের আয়োজন করে মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড ইসলামিক স্টাডিজ (আইএআইএস)। ১৫ থেকে ১৭ মে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেনও অংশ নেন।

সম্মেলনের গুরুত্বপূর্ণ এক অধিবেশনে মিয়া গোলাম পারওয়ার ‘একটি নতুন কৌশল অন্বেষণ: দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, বর্তমান আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বৈধতার গভীর সংকট মোকাবিলায় মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে কাঠামোগত সমন্বয়, ঐক্য ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা এখন সময়ের দাবি।

আইএআইএসের চেয়ারম্যান ও মালয়েশিয়ার সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. মাজলি মালিক স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. জুলকেফলি আহমদ।

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ শেখ ড. তারেক আল-সুওয়াইদান, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ও এসইআরআইয়ের চেয়ারম্যান নুরুল ইজ্জাহ আনোয়ার, তিউনিসিয়ার সাবেক উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. রফিক আবদুস সালাম এবং আইএআইএসের প্রধান নির্বাহী ড. সৈয়দ আজমান সৈয়দ আহমদ নাওয়াভীসহ বিভিন্ন দেশের ইসলামী নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারকেরা।

জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের নায়েবে আমির ড. আতাউর রহমান ও পররাষ্ট্র সচিব আসিফ লুকমান কাজীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলও এতে অংশ নেয়। এ ছাড়া চীন, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, চিন্তাবিদ ও ইসলামী নেতারা সম্মেলনে যোগ দেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারসাম্যপূর্ণ, শান্তিপূর্ণ ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি কার্যকর আঞ্চলিক কাঠামো গড়ে তুলতে বিশ্ব ইসলামী নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে।