মাজারে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি এনসিপির
এনসিপির একটি প্রতিনিধি দল মাজার পরিদর্শন করছেন।   ছবি: সংগৃহীত

শাহ আলী মাজারে হামলার প্রতিবাদে মাজারভক্তদের সঙ্গে সংহতি জানাতে এবং হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এনসিপির একটি প্রতিনিধি দল মাজার পরিদর্শন করেছে।

শনিবার (১৬ মে) কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির উপপ্রধান সারোয়ার তুষারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি সেখানে যায়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ফরিদুল হক, প্রীতম দাশ, হুমায়রা নূর, ধর্ম ও সম্প্রীতি সেলের আহ্বায়ক তারেক রেজা, শ্রমিক শক্তির আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম ফকির, কেন্দ্রীয় সদস্য ফাহিম খান পাঠান ও জায়েদ বিন নাসের। আরও উপস্থিত ছিলেন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা লুৎফর রহমান নয়ন, জাতীয় নারীশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা তাহমিনা শারমিন যূথী, মহানগর উত্তরের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সাইফুল ইসলাম এবং শাহ আলী থানার প্রধান সমন্বয়ক শফিকুল ইসলাম রানাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা মাজার জিয়ারতের পাশাপাশি হামলায় আহত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার বর্ণনা শোনেন। পরে তাঁরা শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

সারোয়ার তুষার তাঁর বক্তব্যে গত দুই বছরে বিভিন্ন মাজারে হামলার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানান। তিনি বলেন, “কুষ্টিয়ার ফিলিপনগরসহ বিভিন্ন মাজারে হামলায় জড়িতদের রাজনৈতিক পরিচয় স্পষ্ট। ফিলিপনগরের ঘটনায় সরকারি দলের নেতাদের জড়িত থাকার প্রমাণ থাকার পরও তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় স্পষ্ট থাকার পরও তাঁদের আড়াল করতে ‘মব’ শব্দের ব্যবহার লক্ষ করা যাচ্ছে। এভাবে উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে সরকার দায় এড়াতে পারবে না।”