আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)-এর ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার পর কাকরাইলস্থ আইডিইবি মিলনায়তনে প্রতিনিধি সম্মেলন, শুভেচ্ছা বিনিময় ও কেক কাটার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।
দলের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের সঞ্চালনায় এবং চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, জাতীয় সংসদের হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান, এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়া, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন এবং সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।
ড. মঈন খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, এবি পার্টির অগ্রযাত্রা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, দলটি এখন দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে এবং দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এবি পার্টি প্রতিবাদ থেকে গড়ে উঠেছে এবং সেই ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতেও ভূমিকা রাখবে। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ধারণ করার কথাও উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, যখনই দেশ গণতন্ত্রের পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, তখনই আন্দোলন গড়ে উঠেছে। ১৯৭১ থেকে এখন পর্যন্ত নেতারা ভুল করলেও জনগণ বারবার প্রতিবাদের মাধ্যমে সংশোধনের পথ দেখিয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের যে অঙ্গীকার বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, তা অক্ষুণ্ণ রাখা হবে। তিনি বলেন, দেশের মানুষ এখন আবেগনির্ভর ও ফাঁকা প্রতিশ্রুতির রাজনীতি নয়, বরং বাস্তবভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতি চায়। এবি পার্টি সেই বিকল্প রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।
জাতীয় সংসদের হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত রাজনীতি প্রতিষ্ঠাই জুলাই বিপ্লবের সবচেয়ে বড় অর্জন। তিনি ধৈর্য ধরে এগোলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন।
খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামনুল হক বলেন, জুলাই আন্দোলন একটি সামগ্রিক পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা তৈরি করেছে। তিনি সংবিধান সংস্কার, দলীয়করণ বন্ধ এবং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপের দাবি জানান।
এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়া বলেন, এবি পার্টি আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং ছাত্রশক্তি গঠনের আগেও পাশে ছিল। তিনি বলেন, সব রাজনৈতিক শক্তির সম্মিলিত ত্যাগের ফলেই গণঅভ্যুত্থান সম্ভব হয়েছে।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, বর্তমান সময় গণতন্ত্র পুনর্গঠনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তিনি শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, ৫ আগস্ট ও ২০২৪ সালের আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায়। তিনি ফ্যাসিবাদের বিচার অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আব্দুল কাদের, নাগরিক ঐক্যের সদস্য সচিব শহীদুল্লাহ কায়সার, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, ন্যাপের সভাপতি জেবালুর রহমান গণি, শহীদ নাফিসা মারওয়ার পিতা আবুল হোসেন, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চান, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান এবং শহীদ নাঈমার মা আইনুন্নাহার।
অনুষ্ঠানে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. ওহাব মিনার, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূইয়া, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, এবিএম খালিদ হাসান, ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলি, মো. আলতাফ হোসাইন, আমিনুল ইসলাম এফসিএ এবং শাহাদাতুল্লাহ টুটুল।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!