দেশের সকল আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বিএনপির যুবসংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল। কিন্তু বর্তমানে বিএনপির যুব সংগঠনটির কেন্দ্র চলছে মাত্র ৭ সদস্যের কমিটি দিয়ে। এতে দীঘদিন ধরে পদ-পদবীহীন রয়েছেন হাজারও ত্যাগী নেতাকর্মী।
সম্প্রতি সরেজমিনে রাজধানীর নয়াপল্টনে গিয়ে দেখা যায়, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আশেপাশে যারা আড্ডা দিচ্ছেন তারা যুবদলের সাবেক কমিটির নেতা অথবা ছাত্ররাজনীতি শেষ করে যুবদলের কমিটিতে পদপ্রত্যাশী নেতাকর্মী। বর্তমানে নিজেদের দলীয় সরকার ক্ষমতায় থাকলেও পরিচয়হীনতা না ঘোচায় মনোকষ্টে দিনাতিপাত করছেন রাজপথের অনেক পরীক্ষিত নেতা।
নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভিড় করা কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, ১৭ বছরের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদী চেতনায় বিশ্বাসী মানুষের সুদিন ফিরে এসেছে। কিন্তু এমন মুক্ত পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও পদ-পদবীহীন অবস্থায় পরিচয়হীন থেকেছেন আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী হাজারও ত্যাগী নেতা।
তারা আরও জানান, বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ছাত্রত্ব শেষ হলে সবচেয়ে পছন্দের সংগঠন হিসেবে যুবদল বেছে নেন। কিন্তু দীর্ঘদিন কমিটি না থাকায় সাবেক ছাত্রনেতারা রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারছেন না। তাই বিএনপির যুব এই সংগঠনটির সাংগঠনিক কাঠামো আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে ত্যাগী নেতাকর্মীর সমন্বয়ে বর্তমান কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার দাবি করেছেন তারা।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, যুবদলের কমিটির মেয়াদ তিন বছর। তবে দলীয় হাইকমান্ড বিশেষ প্রয়োজনে আহ্বায়ক কমিটি গঠন বা আগের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠন করতে পারে। এর ধারাবাহিকতায় ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন ২০২৪ সালের ৯ জুলাই বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি, রেজাউল করিম পলকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক, বিল্লাল হোসেন তারেককে ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কামরুজ্জামান জুয়েলকে সাংগঠনিক সম্পাদক ও নুরুল ইসলাম সোহেলকে দপ্তর সম্পাদক করা হয়। পরে মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সেই থেকে তারা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তারা। তবে বিএনপির যুব এই সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে যুবদলের পদ-পদবী বিহীনদের মধ্যে রয়েছেন- যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুন হাসান, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহিন, সাবেক সদস্য (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদায়) মোস্তফা জগলুল পাশা পাপেল, ওমর ফারুক মুন্না, মিজানুর রহমান সোহাগ, সাবেক সহ-সম্পাদক কামরুল হাসান তালুকদার খোকন, সাবেক কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার আল আশরাফ মামুন, সাবেক সহ-সম্পাদক পার্থ দেব, সাজ্জাদ হোসেন বাবু, হীরা, রাজু, সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান হোসেন মানিক, হাসান আল মামুন লিমন, সাবেক প্রশিক্ষণ বিষয়ক সহ সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ, সাবেক সহ-মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল আলম টিটু ও সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য মামুন সরকার, শাওন, শাজাহান রনি।
এছাড়া, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট, তারেক উজ জামান, খোন্দকার শোয়েবুর রহমান, সাজ্জাদ হোসেন উজ্জ্বল, আশরাফুর রহমান, হুমায়ুন কবির, মো. সুরুজ মন্ডল, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মো. শামীম হোসেন, ওমর ফারুক কাওসার, মো. আলী হাওলাদার, সিরাজুল ইসলাম, কে এম সাখাওয়াত হোসেন, মো. মেহরাব আহমেদ মাহি, মো. মাহমুদ সরদার, মো. নাজমুল হাবিব, সোহেল, তুহিন।
সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহাগ, সোহেল, রাহুল, আমিনুর, আলীজা মিজান, ইলিয়াস, মো. সালাউদ্দিন, ফিরোজ। সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক রয়েল সর্দার, সাবেক সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক (রাজিব আকরাম কমিটি) জিল্লুর রহমান ভূইয়া কাজল, সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রকিবুল হাসান, সাবেক সহ-সম্পাদক খোন্দকার রিয়াজ।
তবে সাবেক ছাত্রনেতাদের মধ্যে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে যুবদল করে আসছেন এবং জীবনবাজি রেখে রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে বহু মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন কিন্তু বিগত ১৫/১৬ বছরে যুবদলের কোন পদ-পদবী পাননি; তাদের মধ্যে অন্যতম- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফয়সাল আহম্মেদ সজল, আসাদুজ্জামান আসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসিফুর রহমান বিপ্লব, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মহসিন বিশ্বাস, মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান শাহিন, মাহবুব শিকদার, কোয়েল হোসেন, আনোয়ার মামুন ভূইয়া, ওমর খৈয়াম নিক্সন, মাজেদুল ইসলাম মাসুম, মো. এবাদুল হক পারভেজ, আবু জাফর রিপন, খন্দকার আমিনুল হক কাকন, মিজানুর রহমান (সাইফ খান মিজান), হুমায়ুন কবিরসহ অসংখ্য নিবেদিত প্রাণ নেতাকর্মী।
যুবদলের কমিটি কবে নাগাদ হতে পারে এমন প্রশ্ন করলে যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েল আরটিএনএন’কে জানান, যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আপ্রাণ চেষ্টা করছেন পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়ার জন্য। আশা করছি দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় খুব দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে।
যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি বলেন, কমিটি তাড়াতাড়ি হওয়া দরকার, হলে ভালো হয়। আমরা চেষ্টা করছি। তালিকা করে জমা দিয়েছি। এখন সাংগঠনিক অভিভাবক বিষয়টি দেখবেন।
যুবদলের কমিটি বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ আরটিএনএন’কে বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি ১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল নামে বিএনপির যুব সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর ১৯৭৮ সালে আবুল কাশেমকে আহ্বায়ক করে যুবদলের প্রথম কমিটি গঠন করা হয়। এরপর আবুল কাশেমকে সভাপতি ও সাইফুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হয়।
পরে ১৯৮৭ সালের ২৩ মার্চ যুবদলের কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ১৯৯৩ সালের ৮ অক্টোবর কাউন্সিলে তারা পুর্ননির্বাচিত হন। ২০০২ সালে যুবদলের কাউন্সিলে বরকত উল্লাহ বুলু সভাপতি ও সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১০ সালের ১ মার্চ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও সাইফুল আলম নীরব যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হন। ২০২৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সভাপতি হন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং সাধারণ সম্পাদক হন আব্দুল মোনায়েম মুন্না।
পরে ২০২৪ সালের ৯ জুলাই ২৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদ পান সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুন হাসান, সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম নয়ন, রুহুল আমিন আকিল, জাকির হোসেন সিদ্দিকী, জাকির হোসেন নান্নু, ইউসিুফ বিন জলিল, তরিকুল ইসলাম বনি, মোশারফ হোসেন দিপ্তী, মহেবুল্লাহ আবু নূর, মাহবুবুল হাসান ভূঁইয়া পিংকু, গোলাম মোস্তফা সাগর, দীপু সরকার, ইমাম হোসেন, মহসীন মোল্লা, হারুনুর রশীদ শিশির, নুরুজ্জামান লিটন, রেজাউল কবির পল, মোহাম্মদ শাহেদ, মাহফুজুর রহমান রিটন, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, জাকির হোসেন উজ্জ্বল, এইচএম তসলিমউদ্দিন, নাজমুল আলম নাজু, খন্দকার মাসুদুল হক, বেনজীর আহমেদ তাবরেজ, আনোয়ারুল হক।
সাধারণ সম্পাদক হন আব্দুল মোনায়েম মুন্না, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, গোলাম মাওলা শাহিন, আনোয়ারুল হক রয়েল, কামাল আনোয়ার আহমেদ, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, জিয়াউর রহমান জিয়া, তরুন দে, শাহআলম চৌধুরী, জাবেদ হাসান স্বাধীন, সাইদুর রহমান, বিল্লাল হোসেন তারেক, সাব্বির আহমেদ দীপু, আবদুল জব্বার খান, মাসুমুল হক।
সহ-সাধারণ সম্পাদক কফিলউদ্দীন ভূইয়া, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, মশিউর রহমানন মিশু, আলমগীর হোসেন সোহান, মিয়া মোহাম্মদ রাসেল, কামরুল ইসলাম তালুকদার, ইমরান হোসেন মানিক, হাসান আল মামুন লিমন, খলিলুর রহমান, মাসুদ খান পারভেজ, আতিক আল হাসান মিন্টু, শাহ নাসিরউদ্দিন রুম্মন, নুরউল ইসলাম সোহেল, এনএম আব্দুল্লাহ উজ্জ্বল, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, খন্দকার রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, মঞ্জুরুল আজিম সুমন, ইলিয়াস আহমেদ হিমেল রানা, এম তমাল আহমেদ, মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ, মাসুদ হাসান মামুন, এএইচএম সাইফুল্লাহ রুবেল, সুজাউদ্দৌলা সুজা, রাজীব হোসেন, নুরুল আমিন আকাশ।
সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েল, মির্জা আসলাম আলী, আইয়ুব খান, মুরাদ খান, আরিফ মোহাম্মদ ফরহাদ, খালেদ মোহাম্মদ জাকারিয়া, মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, দেওয়ান আলিউদ্দীন, খালেদ মাহমুদ মাসুদ, সাখাওয়াত হোসেন চয়ন, মাহবুবুর রহমান পলাশ, আরিফুল হক আরিফ, গোলাম ফারুক, এসএম ওবায়দুল্লাহ, প্রকৌশলী কামরুল হাসান খান সাইফুল, সাজেদুল ইসলাম, সৈয়দ আহমেদ উজ্জ্বল, মির্জা আবদুল জব্বার বাবু, ইবাদুল হক রুবায়েদ, মাহবুবুর রহমান, সালাউদ্দিন পিপলু, আবদুল মোন্নাফ মুকুল, জোবায়েদ হোসেন শাকিল, খায়রুল আনাম বকুল, তাজুল ইসলাম।
প্রচার সম্পাদক- আবদুল করিম সরকার, সহ-প্রচার সম্পাদক আশরাফুল আলম ফকির লিংকন, দপ্তর সম্পাদক- কামরুজ্জামান দুলাল, সহ-দপ্তর সম্পাদক এড. আজিজুর রহমান, মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মেহবুব মাসুম শান্ত, সহ-সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাপ্পী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পার্থ দেব মন্ডল, কোষাধ্যক্ষ- গোলাম মোস্তফা, সহ-কোষাধ্যক্ষ রোকনুজ্জামান রোকন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. নিহার হোসেন ফারুক, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. মর্তুজা আল-কামাল মোস্তাক, এড. ইউনূস আলী রবি, এড. জিল্লুর রহমান, এড. নুরে আলম সিদ্দীকি সোহাগ, এড. তানভীর হাসান সোহেল, এড. গাজী মো. মাসকুরুল আলম সৌরভ, এড. খান জহিরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মাইনুদ্দিন রুবেল, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাতিস হাসান, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সাইদ হাসান মিন্টু, সহ-কৃষি সম্পাদক কৃষিবিদ কেএম সানোয়ার আলম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মিলন, সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শরীফউদ্দিন জুয়েল, সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মইনুল ইসলাম হিটু, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক কারিমুল হাই নাইম, সহ-শিল্প বিষয়ক আসাদুল আলম টিটু, যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মামুন, সহ-যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক আবু সাইদ, ক্রীড়া সম্পাদক আবুল মনসুর খান দীপক, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আমানউল্ল্যাহ বিপুল, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সম্পাদক মাহমুদুল হক হিমেল, সহ-পল্লী উন্নয়ন সম্পাদক শাহিন আকন্দ, গণশিক্ষা বিষয়ক মামুন হোসেন ভূইয়া, সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক কামরুজ্জামান কামরুল, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শামসুজ্জোহা সুমন, সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক সাদিউল কবির নীরব, সহ-কুটির ও শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম রুম্মন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রাহাদুল আলম খান, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক তপন কুমার মিন্টু বসু, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক রুহুল ইসলাম মনি, সহ-ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান, গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম রিয়ন, সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক মহিনউদ্দিন রাজু, জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান শিশির, সহ-জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক রজ্জব আলী পিন্টু, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জাহিদ হাসান, সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কেএসএম মুসাব্বির শাফি, প্রিন্স আহমেদ ইমরান, মৎস ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক আবুবকর সিদ্দিকী পাভেল, সহ-মৎস ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল ফারুকী হীরা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. জোবায়দুর রহমান জনি, সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. সায়েম আল মনসুর ফরাজী, ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, ডা. বাছেদুর রহমান সোহেল, ডা. গালিব হাসান, ডা. বেলাল হোসেন নাজিম, ডা. ইয়াসিন আরাফাত বিপুল, উপজাতি বিষয়ক সম্পাদক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার আল আশরাফ মামুন, সহ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আবু সাইদ আহমেদ, রহিমউদ্দিন, খায়রুজ্জামান লিংকন, হারুনুর রশীদ হিরু, মিল্টন সরকার, সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াস খান, মুজাহেদুল ইসলাম মুরাদ, এআর মামুন খান, এসএম জাহাঙ্গীর, সোহেল আহম্মেদ, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এড. জহিরুল ইসলাম সুমন, সহ-মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এড. মাহবুবুল আলম আক্তার, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এড. আবদুর রহিম, সহ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান, পাঠাগার- খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন, সহ-পাঠাগার সাজিদ হাসান বাবু।
সদস্য- মোস্তফা জগলুল পাশা পাপেল, খন্দকার এনামুল হক এনাম, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, রেজাউল করিম লিটন, রফিক আহম্মেদ ডলার, রুহুল আমিন বাবলু, সাইদ ইকবাল টিটু, মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ, আসাদুজ্জামান পলাশ, ফেরদৌস আহম্মেদ মুন্না, তরিকুল ইসলাম টিটু, দুলাল হোসেন, মাহবুব হোসেন তুহিন, মো. কামাল উদ্দিন, সাদিকুর রহমান, শহীদুল ইসলাম টিটু, কামরুজ্জামান নান্নু, মিজানুর রহমান রাজ, ওমর ফারুক মুন্না, এমএ গাফফার, মোহাম্মদ জিন্নাহ, আলমগীর কবির সেলিম, রবিউল ইসলাম নয়ন, মজিবুর রহমান ভূইয়া সবুজ, কাজী মোস্তাক আহেম্মদ দিপু, মমতাজ উদ্দিন মস্তু, আতাউর রহমান মোল্লা, মিজানুর রহমান খান, আফজাল হোসেন, শফিকুল ইসলাম রিবলু, আশরাফুল কবির সুমন, শাহাদত হোসেন চৌধুরী, আল আমিন রানা, হাবিবুর রহমান ডালিম, মিজানুর রহমান সুমন, হাবিবুর রহমান হাবিব, সোহেল আলম, নাসিরউদ্দিন শাওন, মিজানুর রহমান মোল্লা, সাইফুর রহমান চৌধুরী শপথ, আমিনুল ইসলাম তৌহিদ, ওমর ফারুক, রবিউল ইসলাম রবি, নাজমুল হুদা রাজু, সাইদুর রহমান শামীম, হুমায়ুন আহমেদ শিপন, এড. শফিউল বসর সজল, এড. মোহাম্মদ সেলিম মিয়া, শাহজাহান রনি, আনোয়ার হোসেন জনি, এড. নাহিদুল ইসলাম নাহিদ, মাসুদ আহমেদ খান, এড. নুরুজ্জামান, আবদুল কুদ্দুস মজুমদার, এড. মেহেদী হাসান জুয়েল, তৌফিকুর রহমান চৌধুরী তুহিন, মোহাম্মদ মাসুদুল হক, শাহিনুজ্জামান মিন্টু, মাহমুদুস সালেহিন, আজিজুল হক সোহেল, মোরশেদ আলম, সেলিম হোসাইন মুন্না আকন্দ, এড. আশরাফ জালাল মনন, মো. জাহিদ হাসান, সাইদুর রহমান সোহেল, এড. এরশাদ হোসেন এরশাদ, শফিকুল ইসলাম সোহেল, আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ, কাওসার সরকার মামুন, মো. মহসিন, আহসানউল্লাহ শিমু, খন্দকার মাহাবুবুর রহমান মাহী, এড. রুহুল আমিন, বাবর চৌধুরী।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!