জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি ও দুদকের করা পাঁচ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, খায়রুল হকের বিরুদ্ধে আরও দুই মামলা থাকায় তিনি এখনই কারামুক্তি পাচ্ছেন না।
এর আগে চলতি বছরের ৮ মার্চ জুলাই আন্দোলনে হত্যার অভিযোগ এবং রায় জালিয়াতির অভিযোগের মামলাসহ পৃথক চার মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দেন হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ।
আদালত সূত্রে জানা যায়, রায় জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলা ও দুদকের করা মামলাসহ পৃথক পাঁচ মামলায় খায়রুল হকের জামিন প্রশ্নে গত ২৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল দেন। মামলাগুলোতে কেন তাকে জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। পাঁচটির মধ্যে দুদকের করা মামলাটি ছাড়া অপর চার মামলায় খায়রুল হককে গত ৮ মার্চ বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন দেন। আজ দুদকের মামলায়ও জামিন দিলেন হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ।
উল্লেখ্য, খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। এই রায়ের মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের প্রায় এক বছর পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমণ্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর বেআইনি রায় দেয়া ও জাল রায় তৈরির অভিযোগে গত বছরের ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জে করা একটি মামলায় খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!