কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে দেশের বিনোদন অঙ্গনে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে সহকর্মী, নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী ও ভক্তরা তার স্মৃতিচারণা করছেন। কারিনার প্রাণবন্ত ব্যক্তিত্ব, হাস্যরস ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাকে স্মরণ করছেন অনেকে।
কারিনাকে নিয়ে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তিনি লিখেছেন, ‘যখন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ডাক আসছিল, তুমি নির্দ্বিধায় দাঁড়াইছিলা, কারিনা। বাংলাদেশ তোমাকে মনে রাখবে।’
স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, কারিনা ছিলেন অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও মজার স্বভাবের মানুষ। তার উপস্থিতি সবসময় আলাদা আনন্দ তৈরি করত। একসঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত স্মৃতিও তুলে ধরেন তিনি। ফারুকী লেখেন, মৃত্যুর পর মানুষের অনেক সত্য বোঝা যায়, আর এখন তিনি বিশ্বাস করেন কারিনা অনেকের কাছেই প্রিয় ছিলেন।
ফারুকীর এই পোস্টে শেষের দিকে তিনি কারিনাকে উদ্দেশ্য করে লেখেন, ‘রেস্ট ইন পিস, মাই সিস্টার।’
শুধু ফারুকী নন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কারিনার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিনোদন অঙ্গনের আরও অনেকে। সহকর্মীরা বলছেন, কয়েক দিন আগেও তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন এবং তার হাসিখুশি উপস্থিতি সবাইকে আকৃষ্ট করত। অনেকে তার কাজের প্রতি নিষ্ঠা এবং অসুস্থ অবস্থাতেও লড়াইয়ের মানসিকতার কথা স্মরণ করছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, লিভার সংক্রান্ত জটিলতায় গতকাল শুক্রবার (১৫ মে) ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কারিনা কায়সার মারা যান। উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার (১১ মে) তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। হেপাটাইটিস এ ও ই-জনিত জটিলতায় লিভার ফেইলিউর দেখা দিলে অবস্থার অবনতি ঘটে এবং তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩০ বছর। তিনি মা–বাবা ও দুই ভাই রেখে গেছেন। কারিনা ছিলেন বরেণ্য দাবাড়ু রানী হামিদের নাতনি। কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পেলেও সাম্প্রতিক সময়ে তিনি অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!