শিক্ষা খাতে ব্যয় জিডিপির ২ শতাংশেরও কম
জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ও জাতীয় উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রাক-বাজেট সংলাপ।   ছবি: আরটিএনএন

জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে শিক্ষা খাতকে বিবেচনা করা হলেও বাংলাদেশে এ খাতে বিনিয়োগ এখনও উদ্বেগজনকভাবে কম বলে উঠে এসেছে এক গবেষণায়। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের কথা বলা হলেও শিক্ষা খাতে বাস্তব বিনিয়োগ তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।

মঙ্গলবার (১৯  মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ও জাতীয় উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রাক-বাজেট সংলাপে এ তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

গবেষণায় ওঠে এসেছে, দেশে শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ জিডিপির ২ শতাংশেরও নিচে অবস্থান করছে, যা এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে সর্বনিম্ন পর্যায়ের মধ্যে রয়েছে। এমনকি অনেক স্বল্পোন্নত ও দরিদ্র দেশের সঙ্গেও বাংলাদেশের এ খাতের বিনিয়োগ তুলনীয় হয়ে পড়েছে।

গবেষণায় আরও উল্লেখ করা হয়, অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় শিক্ষা খাতে জিডিপির ৩ শতাংশ ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে ব্যয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কম রয়ে গেছে। ২০২৩-২৫ সময়ে বাস্তব ব্যয় জিডিপির প্রায় ১.৩ শতাংশে নেমে এসেছে।

আলোচনায় বলা হয়, বরাদ্দ ঘোষণা এবং বাস্তবায়নের মধ্যকার ব্যবধানও ক্রমেই বাড়ছে। শিক্ষা খাতে পর্যাপ্ত অর্থ ব্যয় না হলে দক্ষ জনশক্তি গঠন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

গবেষকদের মতে, শিক্ষাকে ব্যয় নয়, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।