গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। শনিবার (৯ মে) রাতে নিহত শারমিন খানমের বাবা সাহাদত মোল্ল্যা বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় মামলাটি করেন। মামলায় শারমিনের স্বামী ফোরকানকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালীগঞ্জ সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। প্রধান আসামি ফোরকান পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৮ মে) রাতের কোনো এক সময়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে স্বজনেরা বাড়িতে গিয়ে পাঁচজনের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
শনিবার সকালে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রাম থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন শারমিন খানম (৩০), তাঁর মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শারমিনের ভাই রসুল মিয়া (২২)।
পুলিশ জানায়, নিহতদের সবার গলা কাটা ছিল। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ফোরকান পেশায় ভাড়ায় চালিত গাড়ির চালক। তাঁর গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরী গোপীনাথপুর এলাকায়। প্রায় এক বছর ধরে তিনি পরিবার নিয়ে কাপাসিয়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।
ঘটনার পর থেকে ফোরকান নিখোঁজ রয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!