আমরা দোষারোপের রাজনীতি থেকে বের হতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরামের উদ্যোগে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ‘কেমন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল চাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠিত বিশেষ ‘উন্নয়ন সংলাপ’এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিরোধ এটা আদর্শিকভাবে থাকবেই। এজন্য হানাহানি, রক্তপাত এটা থাকবেই। কিন্তু আমাদের চিন্তার ঐক্য, আমাদের ভাবনা এই অঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন নিয়ে। এখানেই আমাদের চিন্তার ঐক্য আছে।
এই উন্নয়নের ঐক্যকে ধারণ করেই আমরা একে অন্যের সাথে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যাব। আমরা সঠিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছি সে উদ্যোগের পথ ধরে হেঁটে যেতে চাই।
সর্বোপরি আমরা এ অঞ্চলের ন্যায্য হিস্যা চাই। অবহেলিত জনপদের ভালো ও সুখের জন্য যা করণীয় তা আমরা করে যাবো।
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, সবাই স্বপ্নের পাহাড় নিয়ে এসেছেন। সেই স্বপ্ন, চিন্তা ও শ্রম প্রথমে শৈলকূপা ও পরে এ অঞ্চলের জন্য। কারণ সবার আগে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়ার জন্য করতে পারলে বাংলাদেশকেও কিছু দেওয়া যাবে।
এক্ষেত্রে এ অঞ্চলের সুবিধার্থে রেললাইন বাস্তবায়ন কাজ শুরু হবে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দ্বিত্তীয় পমা সেতু তৈরিতে কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, শিল্পায়নে প্রভাব পড়বে কিনা তা ভাবছি।
আমরা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে কৃষি বিপ্লব ঘটাতে চাই। তাই বিদ্যুতের চাহিদা, দাম, তেল আমদানির বিকল্পে প্রত্যেক জেলায় পতিত জমির সদ্বব্যবহার করে সৌরবিদ্যুভিত্তিক প্রজেক্ট চালু করবো। আগামী ছয় মাসের মধ্যে তা ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে দৃশ্যমান দেখতে পাবো।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে মানুষের ভোটের কালির দাগ মুছে যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী তাঁর কথা রেখেছেন।তিনি বলেছিলেন ক্ষমতায় গেলে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করবেন। আমরা প্রায় ১১ লক্ষ কৃষকের (১০,০০০ পর্যন্ত যাদের ঋণ ছিল) দেড় হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করেছি প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়ে। আমরা ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রজেক্ট চালু করে প্রথম দিনেই ৩৮ হাজার ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করেছি।
বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরামের সভাপতি এবং সিনিয়র সচিব (পিআরএল) ড. খ ম কবিরুল ইসলামের সভাপতিতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন ভিসি প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। এসময় কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার সংসদ সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউট্যাব, জিয়া পরিষদ, সাদা দল ও শাখা ছাত্রদল, শিবির, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী ও জুলাইয়ের শহীদ ইয়ামিনের পিতা মোহাম্মদ মহিউদ্দিনসহ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!