ভাতার আওতায় যুক্ত হলো আরও ১৭১ খেলোয়াড়
ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড।   ছবি: সংগৃহীত

দেশের ক্রীড়াবিদদের আর্থিক সহায়তা ও খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চালু হওয়া ক্রীড়া ভাতা কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপে আরও ১৭১ জন খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে ভাতার আওতায় মোট খেলোয়াড়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০০ জনে।

আজ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব খেলোয়াড়ের হাতে এক লাখ টাকা করে ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড তুলে দেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এ ধাপে পুরুষ ও নারী ফুটবল দলের মোট ৩৬ জন খেলোয়াড় ভাতার আওতায় এসেছেন।

প্রথমবারের মতো জাতীয় নারী হকি দলকেও এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দলটি এশিয়ান গেমস বাছাইপর্বে অংশ নিতে আজ রাতেই ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে।
শুধু জাতীয় দলের খেলোয়াড়ই নন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য পাওয়া তরুণদেরও এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

সম্প্রতি পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ান আঞ্চলিক জুনিয়র ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে বালক দ্বৈতে সোনা জেতা সিফাত উল্লাহ ও নাজমুল ইসলামকে এক লাখ টাকা করে পুরস্কার ও ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে।

এই কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক খেলোয়াড় মাসিক এক লাখ টাকা ভাতা এবং একটি ক্রীড়া কার্ড পাচ্ছেন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন খেলার মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে।

গত ৩০ মার্চ ভাতা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। ওই দিন ১২৯ জন খেলোয়াড় ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড পান। তবে এই ভাতা স্থায়ী নয়—প্রতি চার মাস পর খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে তালিকা হালনাগাদ করা হবে।

দ্বিতীয় ধাপে বিভিন্ন খেলার খেলোয়াড়সংখ্যা: ফুটবল (পুরুষ ও নারী) ৩৬, হকি (পুরুষ ও নারী) ৩৬, ভলিবল ১৪, দাবা ১১, আর্চারি ১১, ভারোত্তোলন ১০, হ্যান্ডবল ১০, জিমন্যাস্টিকস ৯, সাঁতার ৬, টেবিল টেনিস ৫, শুটিং ৫, সাইক্লিং ৪, উশু ৪, জুডো ৩, কিকবক্সিং ২, টেনিস ২, বডি বিল্ডিং ২ ও ট্রায়াথলন ১।