জনসম্পৃক্ততা ও দায়বদ্ধতাই প্রধানমন্ত্রীর মূল শক্তি: মাহদী আমিন
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।   ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রকৃত শক্তি কেবল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নয়; বরং তার দায়বদ্ধতা, জনসম্পৃক্ততা ও মানবিকতায় নিহিত।

শনিবার (২ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, কিছুদিন আগেও দেশের প্রধানমন্ত্রী মানেই সাধারণ মানুষের কাছে দূরের, অপ্রাপ্য এক ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু সেই প্রচলিত ধারা ভেঙে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেকে সাধারণ মানুষের কাতারে নিয়ে এসেছেন এবং জনগণের বাস্তবতা ও সমস্যার সঙ্গে আত্মিকভাবে যুক্ত হয়েছেন।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দায়িত্বে থেকেও তারেক রহমানের চলাফেরা, কথাবার্তা ও বেশভূষায় যে সরলতা, স্বাভাবিকতা ও সংযম প্রকাশ পায়, তা বিরল। ভিন্নতা ও প্রাচুর্য থেকে দূরে থেকে মাটির কাছাকাছি থাকার এই গুণ তাকে অনন্য করে তুলেছে।

মাহদী আমিন আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের বাইরে তারেক রহমানের পারিবারিক জীবনও একটি সাধারণ পরিবারের মতো। স্ত্রী ও কন্যা তার সবচেয়ে বড় মানসিক শক্তি ও ভরসা। পরিবার তার জীবনে স্থিতি ও অনুপ্রেরণার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি, যা তাকে জনজীবনের সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত রাখে।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রনায়কের পরিচয়ের বাইরে আজ তারেক রহমান যেন সাধারণ মানুষের পরিবারেরই একজন হয়ে উঠেছেন। কখনও বাবার মতো নির্ভরতার প্রতীক, কখনও ভাইয়ের মতো আপনজন, আবার কখনও প্রতিবেশীর মতো সহজ ও আন্তরিক—এই আত্মিক সংযোগই তাকে গণমানুষের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

মাহদী আমিন বলেন, বছরের পর বছর ধরে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চালানো হয়েছে এবং এখনও তা অব্যাহত রয়েছে। তবে সময়ের প্রতিটি পরীক্ষায় ও জীবনের প্রতিটি সংগ্রামে তিনি নিজের অবস্থান আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা তারেক রহমানের নেতৃত্বকে বারবার শক্তি জুগিয়েছে। নির্বাচনী জয়যাত্রার পরও প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে গণতন্ত্র, আগামীর প্রত্যাশা এবং সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়।

উল্লেখ্য, প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদাসম্পন্ন উপদেষ্টা মাহদী আমিন বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।