পবিত্র মক্কা
পবিত্র মক্কা।   ফাইল ছবি

মক্কায় শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। সোমবার (৮ জিলহজ) ভোর থেকে মিনায় অবস্থানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে হজের কার্যক্রম শুরু করবেন বিশ্বের লাখো মুসল্লি। এ উপলক্ষে হাজীদের নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে মিনায় পৌঁছে দিতে সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ রাত থেকেই মিনার উদ্দেশে রওয়ানা হবেন হজযাত্রীরা। এদিকে বাংলাদেশের হজযাত্রীদের মিনায় পাঠাতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে মক্কাস্থ বাংলাদেশ হজ অফিস ও সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সিগুলো।

শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, ৮ জিলহজ হাজীরা মিনায় অবস্থান করবেন এবং সেখানে ফজর থেকে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন। মিনায় রাতযাপন শেষে ৯ জিলহজ সকালে তাঁরা আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে রওয়ানা দেবেন। হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত আরাফাতে অবস্থানকে ইসলামি শরিয়তে হজের মূল রুকন বলা হয়।

এ বছর আরাফাতের ময়দানে হজের খুতবা প্রদান করবেন মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম ও খতিব শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুদাইফি। খুতবার পর হাজীরা একসঙ্গে যোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানেই অবস্থান করবেন।

৯ জিলহজ সূর্যাস্তের পর হাজীরা মুজদালিফার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। সেখানে পৌঁছে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায়ের পর উন্মুক্ত আকাশের নিচে রাতযাপন করবেন। পরদিন ১০ জিলহজ সূর্যোদয়ের আগেই তাঁরা আবার মিনায় ফিরে যাবেন এবং বড় জামারায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন। এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন এবং মাথা মুণ্ডন বা চুল ছোট করবেন।

হজের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে ১১ ও ১২ জিলহজ আরও কিছু ধর্মীয় আচার সম্পন্ন করবেন হাজীরা। নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের আগেই হাজীদের মিনা ত্যাগ করতে হবে।

এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৬ থেকে ১৮ লাখ মুসল্লি হজ পালন করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে চলতি বছর প্রায় সাড়ে ৭৮ হাজার হজযাত্রী পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।

এসএস