ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে ইমাম ও মাংস প্রস্তুতকারীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশু জবাই, মাংস প্রস্তুত, চামড়া সংরক্ষণ এবং দ্রুত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরে ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
প্রশাসক বলেন, প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের শেখানো পদ্ধতি অনুসরণ করেই সবাইকে কোরবানি সম্পন্ন করতে হবে। কোরবানির পশুর চামড়া যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মৌসুমি শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসম্মতভাবে কাজ করার নিয়ম জানাতে হবে। কোরবানির সঙ্গে সঙ্গেই রক্ত পানি দিয়ে পরিষ্কার করলে দুর্গন্ধ থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব হবে। কোরবানির বর্জ্য নির্ধারিত ব্যাগে ভরে বাসার সামনে রেখে দিলে সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা তা দ্রুত অপসারণ করবে।
প্রশাসক শফিকুল ইসলাম বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুরো শহর পরিষ্কার করা সম্ভব হবে সকলের সহযোগিতা পেলে। সিটি কর্পোরেশন শুধু আমার নয়, সবার। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা দ্রুত কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করতে পারবো।
অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, এবার সারাদেশে কোরবানির পশুর চাহিদা ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার। কোরবানির ঈদে উৎপন্ন বিপুল পরিমাণ চামড়া ও মাংসের গুণগতমান অক্ষুণ্ণ রাখতে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। পশু কোরবানির ক্ষেত্রে কী কী পদক্ষেপ নিলে মাংসের মান ঠিক থাকে এবং চামড়ার গুণগতমান বজায় রাখতে কী করতে হবে, তা হাতে-কলমে দেখানো হবে।
এছাড়া, ঈদের আগে জুমার খুতবায় কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মুসল্লিদের সচেতন করতে ইমামদের অনুরোধ জানান তিনি।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ইমাম এবং প্রশিক্ষণের প্রশিক্ষণার্থী মুফতি হাবিবুল্লাহ বলেন, হালাল পদ্ধতিতে ও সহিহভাবে পশু কোরবানি করতে হবে। জবাইয়ের পর পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে যাতে রক্ত সম্পূর্ণ বের হয়ে যায়। এরপর পানি ঢেলে পরিষ্কার করলে রক্ত জমাট বাঁধবে না।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!