দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ দশমিক ৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী, ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার।
শুক্রবার (৮ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৯৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩ হাজার ৫৬১ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার।
এর আগের দিন বুধবার বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৬৭ কোটি ৪০ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে মোট রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৫৩৩ কোটি ৭ লাখ ২০ হাজার ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরু থেকেই রিজার্ভে ধারাবাহিক ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। গত রোববার বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৫১ কোটি ২২ লাখ ৯০ হাজার ডলার। একই সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে মোট রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৫২০ কোটি ৪৭ লাখ ২০ হাজার ডলার।
এছাড়া ২৩ এপ্রিল বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৪৮ কোটি ৪০ লাখ ১০ হাজার ডলার। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে মোট রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৫১১ কোটি ৭৫ লাখ ডলার।
অন্যদিকে ১৫ এপ্রিল বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ২০ কোটি ১৭ লাখ ১০ হাজার ডলার। তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে মোট রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৪৮৭ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, চলতি বছরের শুরু থেকে রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। গত ৮ জানুয়ারি আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৭৮৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার ডলার। সে তুলনায় বর্তমানে রিজার্ভ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, রপ্তানি আয় এবং আমদানি ব্যয় কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!