চলতি বছর এখন পর্যন্ত সারাদেশে ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে বজ্রপাতে, যাদের অধিকাংশই মাঠে কর্মরত কৃষক। সবশেষ গত ২৬ এপ্রিল বজ্রপাতে ১৪ জনের প্রাণহানি ঘটে। এমন অবস্থায় বজ্রপাতের সময় জনসাধারণকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বজ্রপাতের শব্দ শোনা মানেই মনে করবেন আপনি বিপৎসীমার মধ্যে আছেন। তাই বজ্রধ্বনি শোনার সঙ্গে সঙ্গে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে হেঁটে নয়, দৌড়ে ঘরে যেতে হবে। বাইরে থাকলে খোলা আকাশের নিচে না থেকে ছাউনি আছে এমন কোনো কিছুর নিচে আশ্রয় নিতে হবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সবাইকে সতর্ক করে পরামর্শ দিয়ে বলেছে, বজ্রধ্বনি শোনা গেলে শিশুদেরসহ পরিবারের সবাইকে ঘরের ভেতরে অবস্থান করতে হবে।
এ সময় মাঠে খেলাধুলা বা ঘুড়ি ওড়ানো এবং দলবদ্ধ হয়ে অবস্থান করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
বাড়িতে অবস্থান করলে দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে হবে। শিলা কুড়ানো বা উঠানে থাকা যাবে না এবং জানালার গ্রিলসহ কোনো ধাতব অংশ স্পর্শ না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
ঘরের বাইরে থাকলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে। মাটিতে শুয়ে পড়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। গাছের নিচে বা ধাতব ছাউনির নিচে আশ্রয় নেওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নদী, হাওর বা জলাশয়ে নেমে মাছ ধরা থেকেও বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক লাইন, ধাতব বস্তু বা সংযুক্ত যন্ত্রপাতি স্পর্শ না করার নির্দেশনা দিয়েছে অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বজ্রধ্বনি শোনা মানেই বজ্রপাতের ঝুঁকির মধ্যে থাকা। তাই শেষ বজ্রধ্বনি শোনার পরও অন্তত ৩০ মিনিট নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
দেশে প্রতিবছর বজ্রপাতের ৩৮ শতাংশ মার্চ-মে মাসে এবং জুন-সেপ্টেম্বর মাসে ৫১ শতাংশ বজ্রপাত সংঘটিত হয়ে থাকে। কিন্তু অন্য মাসের তুলনায় মে মাসে ঘটা বজ্রপাতগুলোর তাণ্ডব ও ভয়াবহতা বেশি। বজ্রপাতের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মাস।
মে মাসে ঘটা বজ্রপাতগুলোর তাণ্ডব ও ভয়াবহতা বেশি। এ মাসের বজ্রঝড়গুলো তীব্র কালবৈশাখীর রূপ নেয়। যখনই বজ্রধ্বনি শুরু হবে হবে সাথে সাথে ঘরে চলে আসতে হবে। মৃতুহার কমাতে সচেতনতার বিকল্প নেই।
এসএস
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!