ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির (২৭) মরদেহ খুঁজে পেয়েছেন একজন জেলে। সেন্ট পিটার্সবার্গের উত্তর উপকূলে কায়াক (ছোট নৌকা) চালিয়ে মাছ ধরার সময় ঐ জেলে একটি দুর্গন্ধযুক্ত কালো ময়লার ব্যাগ শনাক্ত করেন। ব্যাগের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে নাহিদা বৃষ্টির নিথর দেহ।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে হিলসবোরো কাউন্টির শেরিফ চ্যাড ক্রনিস্টার এ তথ্য জানান।
শেরিফ জানান, ওই কায়াকচালক মাছ ধরার সময় তার ছিপের সুতা একটি ঝোপের মধ্যে আটকে যায়। সুতা ছাড়াতে তিনি যখন ঝোপের ভেতর প্রবেশ করেন, তখন তীব্র দুর্গন্ধ পান। প্লাস্টিকের ব্যাগটি খোলা ছিল এবং ভেতরে লোনাপানি প্রবেশ করছিল। তিনি বুঝতে পারেন, ভেতরে মানুষের দেহাবশেষ রয়েছে। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানান এবং তারা এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
মরদেহটিতে পচন ধরে যাওয়ায় ডিএনএ ও দাঁতের রেকর্ড নিয়ে পরীক্ষা করতে হয় তদন্তকারীদের। তবে নিখোঁজ হওয়ার সময় বৃষ্টি যে পোশাক পরেছিলেন, মরদেহে সেই ধরনের পোশাক ছিল। এটি দেখে প্রাথমিকভাবে ধরে নেওয়া হয় মরদেহটি বৃষ্টির।
অন্যদিকে, অপর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের (২৭) নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া যায় ১৮ এপ্রিল। লিমনের অ্যাপার্টমেন্টের দুই রুমমেটের মধ্যে একজন তদন্তকারীদের কিছু তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন। তিনি জানান, তাদের অ্যাপার্টমেন্টের দরজার ম্যাট এবং কিছু জিনিস নিখোঁজ রয়েছে। পরে পুলিশ অ্যাপার্টমেন্টের আবর্জনার স্তূপ থেকে লিমনের চশমা, আইডি কার্ড, মানিব্যাগ এবং রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করে।
এরপর ফরেনসিক প্রযুক্তির সহায়তায় লিমনের অ্যাপার্টমেন্টে তল্লাশি চালিয়ে রান্নাঘর এবং অভিযুক্ত হিশাম আবুঘারবিয়েহর (২৬) বেডরুমে প্রচুর রক্তের দাগ পাওয়া যায়। শেরিফ ক্রনিস্টার বলেন, 'আমরা নিখুঁত প্রযুক্তির সাহায্যে বিছানার পাশে মেঝের ওপর পড়ে থাকা ক্ষুদ্র আকৃতির একটি মানবদেহের ছাপ শনাক্ত করি।'
পুলিশ এখনো হত্যাকাণ্ডের মোটিভের সন্ধানে হিলসবোরো স্টেট অ্যাটর্নি সুজি লোপেজ এবং ফ্লোরিডার অ্যাটর্নি জেনারেল জেমস উথমিয়ার গত বুধবার এক বিবৃতিতে জানান, আবুঘারবিয়েহ চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে অপরাধের পরিকল্পনা করায় এর পেছনে কোম্পানির কোনো দায়বদ্ধতা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে কোম্পানিটি তদন্তে সহযোগিতা করছে।
শেরিফ ক্রনিস্টার বলেন, ‘আমরা সত্যের পাশাপাশি এর পেছনের কারণ বা মোটিভ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি, যা এখনো রহস্যময়। নিহত ব্যক্তিদের রুমমেটরা জানান, আবুঘারবিয়েহর আচরণ ছিল খুবই অদ্ভুত ও উদ্বেগজনক। তারা ওই অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।’
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!