যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযানের পর ইরানের বিরুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলোকে নিয়ে যৌথ হামলার উদ্যোগ নিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। তবে সৌদি আরব ও কাতারসহ আঞ্চলিক শক্তিগুলোর অনাগ্রহে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। এরপর থেকেই উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক দূরত্ব বাড়তে থাকে। বিশ্লেষকদের মতে, এরই প্রভাব পড়ে ওপেক জোটে, যার ফল হিসেবে গত মাসে ওপেক ছাড়ার ঘোষণা দেয় আমিরাত।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা ব্লুমবার্গ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর পরপরই ইউএই প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে সমন্বিত সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তাব দেন। এ নিয়ে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গেও ফোনে আলোচনা করেন তিনি।
তবে সৌদি আরবসহ বেশ কয়েকটি দেশ ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এর ফলে আবুধাবির কৌশলগত অবস্থান আঞ্চলিকভাবে সমর্থন পায়নি। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই মতবিরোধ থেকেই সাম্প্রতিক সময়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়ে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সৌদি আরব গত মার্চে ইরানে সীমিত হামলা চালানোর পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শুরু হওয়া শান্তি উদ্যোগে সমর্থন দেয় এবং পরে অবস্থান পরিবর্তন করে। তবে ওই শান্তি প্রক্রিয়ায় বড় ভূমিকা না পাওয়ায় ইউএই অসন্তুষ্ট ছিল।
এদিকে কাতারের রাস লাফান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থাপনায় ইরানের হামলার পর দোহা পাল্টা জবাব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করলেও শেষ পর্যন্ত তারা প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেয়নি। রাস লাফান বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি স্থাপনাগুলোর একটি।
ব্লুমবার্গ আরও জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইউএইর যৌথ সামরিক উদ্যোগ সম্পর্কে অবগত ছিল। ওয়াশিংটন চেয়েছিল সৌদি আরব ও কাতারও এ উদ্যোগে যুক্ত হোক।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!