চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে এ বৈঠক শুরু হয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির দেশের নেতাদের এই বৈঠক গ্রেট হল অব দ্য পিপলের বিশাল কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বিবিসির প্রতিনিধি (এশিয়া বিজনেস) সুরঞ্জনা তিওয়ারি বলেন, আলোচ্যসূচির শীর্ষে থাকতে পারে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য বিরোধ কমানোর বিষয়টি। গত অক্টোবরে দেশ দুটি এ বিরোধ কমাতে সম্মত হয়। আগামী নভেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ থাকা এ সমঝোতার আওতায় চীন–যুক্তরাষ্ট্র পাল্টাপাল্টি শুল্ক বাড়ানো বন্ধ রেখেছে।
চীনের পক্ষ থেকে মার্কিন পণ্য কেনা বাড়ানোর বিষয়ে ইঙ্গিত দেওয়া হতে পারে। অনেক বিশ্লেষক একে ‘ফাইভ বিস’ বলে উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ, গরুর মাংস, সয়াবিন কেনা বাড়াতে পারে বেইজিং। ভবিষ্যতে বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য বাণিজ্য বোর্ড এবং বিনিয়োগ বোর্ড নিয়েও দুই নেতার মধ্যে বিশদ আলোচনা হতে পারে।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে ট্রাম্পের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেটে হেগসেথ, বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এবং বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট উপস্থিত রয়েছেন।
তবে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে কারা বৈঠকে অংশ নিয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।
বৈঠকের শুরুতে ট্রাম্প বলেন, তিনি বিশ্বের শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে এসেছেন এবং তারা সবাই শি জিনপিংকে সম্মান জানাতে সেখানে উপস্থিত।
তিনি আরও বলেন, আমরা একসঙ্গে ছিলাম। যখনই কোনো সমস্যা হয়েছে আমরা সমাধান করেছি। আমি আপনাকে কল দিতাম, আপনি আমাকে কল দিতেন। মানুষ জানে না, আমাদের মধ্যে কোনো সমস্যা হলে আমরা দ্রুতই তা সমাধান করেছি।
ট্রাম্প বলেন, এই বৈঠকে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বিশ্বের সেরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং তারা কেবল শি জিনপিংকে সম্মান জানাতেই এসেছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই বৈঠককে অনেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সম্মেলন হিসেবে অভিহিত করছে। আলোচনা ফলপ্রসূ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ট্রাম্প বলেন, আপনার সঙ্গে দেখা হওয়া এবং আপনার বন্ধু হওয়া আমার জন্য গর্বের। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক এর আগে কখনো এত ভালো হয়নি।
বুধবার রাতে বেইজিংয়ে পৌঁছান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। এর আগে সর্বশেষ তিনি চীন সফরে গিয়েছিলেন ২০১৭ সালে।
সূত্র: বিবিসি
এমআর/আরটিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!