ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক আলোচনা কার্যত অচল হয়ে পড়ায় দেশটির বিরুদ্ধে আবারও সামরিক হামলার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সিএনএন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১২ মে) একাধিক মার্কিন সূত্র সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর তুলনায় এখন ট্রাম্পকে এ বিষয়ে অনেক বেশি দৃঢ় ও সিরিয়াস মনে হচ্ছে।
সূত্রগুলোর দাবি, ইরানের আলোচনার কৌশল ও ধীরগতির কারণে ট্রাম্প ক্রমেই হতাশ হয়ে উঠছেন। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান অস্থিরতাও তাকে অধৈর্য করে তুলেছে। ট্রাম্পের ধারণা, ইরানের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বে বিভক্তির কারণেই দেশটি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছে না।
আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের জবাবে তেহরান যে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে, তাতে ওয়াশিংটনের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে যে ইরান আদৌ সমঝোতায় আগ্রহী কি না।
এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি অংশ ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষে মত দিচ্ছে। তাদের বিশ্বাস, নতুন হামলা হলে তেহরান আরও চাপে পড়বে এবং শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে ফিরতে বাধ্য হবে। তবে প্রশাসনের অন্য একটি পক্ষ এখনও কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও সময় দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কর্মকর্তা। তাদের আশঙ্কা, ট্রাম্পের অসন্তোষের বার্তা পাকিস্তান যথাযথভাবে ইরানের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে না।
এছাড়া, ইরান যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে যেসব ইতিবাচক বার্তা দেয়, সেগুলোকেই কেবল মার্কিন পক্ষের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতির সঙ্গে উপস্থাপিত তথ্যের মিল পাওয়া যাচ্ছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে মধ্যপ্রাচ্যের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাকিস্তান ও কয়েকটি আরব দেশ ইতোমধ্যে ইরানকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, ট্রাম্প বর্তমান আলোচনা প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট নন। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করেছে এটাই হতে পারে কূটনৈতিক সমাধানের শেষ সুযোগ। কিন্তু ইরান এ সতর্কবার্তাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সূত্র: সিএনএন
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!