ইসরায়েলের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে হঠাতে একজোট হয়েছেন দেশটির দুই সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদ। রবিবার (২৬ এপ্রিল) রাতে এক বিশেষ টেলিভিশন ভাষণে তারা আগামী অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনে যৌথভাবে লড়ার এই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।
নতুন এই রাজনৈতিক মোর্চার নাম দেওয়া হয়েছে ‘বেয়াহাদ’ বা ‘টুগেদার পার্টি’। ভাষণে নাফতালি বেনেট বলেন, দেশ এক কঠিন সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং এই মুহূর্তে ইসরায়েলের জন্য একটি দেশপ্রেমিক ও ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। ইয়ার লাপিদও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন, এই জোট সংস্কারপন্থীদের একত্রিত করবে এবং দেশে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন নিয়ে আসবে।
নির্বাচনে জয়ী হলে বেনেট ও লাপিদ ২০২৩ সালে হামাসের হামলার আগের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা ব্যর্থতাগুলো তদন্তে একটি জাতীয় কমিশন গঠন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। গত বছরের সেই ঘটনার পর থেকেই তারা নেতানিয়াহু প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করে আসছেন। লাপিদ এমনকি বর্তমান সরকারের যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তকেও ‘রাজনৈতিক বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদ এর আগেও ২০২১ সালে জোট সরকার গঠন করেছিলেন, যা এক বছরের মাথায় ভেঙে যায়। এরপর নেতানিয়াহু আবার ক্ষমতায় ফিরে আসেন। তবে সাম্প্রতিক জনমত জরিপ বলছে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুকে পরাজিত করার জন্য বেনেটই ভোটারদের কাছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও উপযুক্ত প্রার্থী।
প্রযুক্তি খাতের সাবেক এই উদ্যোক্তা বেনেট ইসরায়েলের তরুণ প্রজন্মের কাছে বেশ জনপ্রিয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বেনেট ও লাপিদের এই পুনঃএকত্রীকরণ নেতানিয়াহুর একাধিপত্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে এবং এটি ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলবে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!