হরমুজ প্রণালীতে দুই জাহাজ জব্দের দাবি আইআরজিসির, আন্তর্জাতিক, আইআরজিসি, হরমুজ প্রনালি, হরমুজ প্রণালী, ইরান, আমেরিকা, যুদ্ধ,
নৌ-মহড়ায় আইআরজিসি কোর।   ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কোর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দুটি জাহাজ আটক করে ইরানের জলসীমায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বুধবার আইআরজিসি নৌবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, চলমান সামুদ্রিক নিরাপত্তা অভিযান ও নজরদারির অংশ হিসেবে সকালে এমএসসি-ফ্রান্সেসকা এবং ইপামিনোডেস নামের দুটি জাহাজ আটক করা হয়।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, জাহাজ দুটির ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এবং এগুলো অনুমোদন ছাড়া পরিচালিত হচ্ছিল। এছাড়া তারা বারবার নৌচলাচল বিধি লঙ্ঘন করছিল এবং এমন নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করছিল, যা সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, জাহাজ দুটি গোপনে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করছিল। এ সময় কৌশলগত জলপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনীর ইউনিটগুলো সেগুলোকে শনাক্ত করে আটক করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাহাজগুলোকে বর্তমানে ইরানের জলসীমায় নিয়ে গিয়ে তাদের পণ্য, নথি ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ড পরিদর্শন করা হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের ঘোষিত নিয়ম লঙ্ঘন বা নিরাপত্তা বিপন্নকারী কোনো কার্যক্রমে জড়িত জাহাজের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানায়, ওমানের উত্তর-পূর্বে প্রায় ১৫ নটিক্যাল মাইল দূরে একটি পণ্যবাহী জাহাজের কাছে আইআরজিসির গানবোট থেকে ভারী মেশিনগানের গুলি চালানো হয়। এতে জাহাজটির ব্রিজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সংস্থাটি আরও জানায়, ওই ঘটনার কিছুক্ষণ পরই আরেকটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলার তথ্য পাওয়া যায়।

তবে ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি দাবি করেছে, জাহাজগুলো বারবার সতর্ক করা হলেও সাড়া দেয়নি। তাই আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সূত্র: তাসনিম নিউজ