ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অনলাইন পর্যবেক্ষণ সংস্থা নেটব্লকস জানিয়েছে, দেশব্যাপী এই ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট মূলত বিক্ষোভ দমনে নেয়া ডিজিটাল সেন্সরশিপের ফল।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে নেটব্লকস জানায়, সংকটপূর্ণ এই সময়ে ইন্টারনেট বন্ধ করে জনগণের যোগাযোগের অধিকার বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে, যা চলমান বিক্ষোভ দমনের কৌশলের অংশ।
গত ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে ইরানের বিভিন্ন শহরে সাধারণ মানুষ বিক্ষোভে নেমেছেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি এবং স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়নকে কেন্দ্র করেই এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি স্থানীয় গণমাধ্যম ও সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন।
এই অস্থির পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইরানি কর্তৃপক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বিক্ষোভ সামাল দিতে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জানালেও, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেয়ি দাঙ্গাকারীদের ‘যথাযথভাবে দমন’ করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি, দেশের প্রধান বিচারপতি বিক্ষোভকারীদের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘দোসর’ বলে মন্তব্য করেছেন।
এদিকে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে প্রাণহানি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকার রক্ষার ওপর জোর দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক।
গত সোমবার (৫ জানুয়ারি) এক ব্রিফিংয়ে দুজারিক বলেন, ইরানের সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানোর সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে এবং নাগরিকদের অভিযোগ প্রকাশের অধিকার রক্ষা করতে হবে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!