সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূত কাঠামো থেকে সরে দাঁড়াতে উদ্যোগ নিয়েছে এক্সিম ব্যাংক। পৃথক সত্তা হিসেবে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম স্বপনের নেতৃত্বে ব্যাংকটির সাবেক পর্ষদ সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন জমা দিয়েছে।
ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ১৮(ক) ধারার আওতায় এই আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নজরুল ইসলাম স্বপন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক আবেদনটি গ্রহণ করেছে।
ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ১৮(ক) এমন একটি ধারা, যেখানে সাবেক শেয়ারধারকদের আবারও ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ফেরার সুযোগ রাখা হয়েছে।
এর আগে গত ২৭ এপ্রিল সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল) একই ধরনের আবেদন করে। অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই ব্যাংকের এমন পদক্ষেপে একীভূত কাঠামোর কার্যকারিতা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
গত বছরের ২১ ডিসেম্বর অর্থপাচার, উচ্চ খেলাপি ঋণ ও তারল্য সংকটে থাকা পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে রাষ্ট্রায়ত্ত এই শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক গঠন করা হয়। একীভূত ব্যাংকগুলো হলো—এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও এসআইবিএল।
এর আগে ৫ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক ওই ব্যাংকগুলোর শেয়ার শূন্য ঘোষণা করে এবং অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত করে। তৎকালীন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, সম্পদের তুলনায় দায় বেশি হওয়ায় শেয়ারগুলোর মূল্য নেগেটিভ হয়ে যায়। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের মতামত ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সমালোচনা ওঠে।
পরে ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরের সময় ১৮(ক) ধারা যুক্ত করা হয়, যেখানে সাবেক শেয়ারধারকদের ফেরার সুযোগ রাখা হয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একের পর এক আবেদন আসছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!