ব্যাংক খাতে সুশাসন জোরদার ও গ্রাহকের আস্থা পুনরুদ্ধারে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ।
ব্যাংক খাতে সুশাসন জোরদার ও গ্রাহকের আস্থা পুনরুদ্ধারে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ।   ছবি: সংগৃহীত

ব্যাংক খাতে সুশাসন জোরদার ও গ্রাহকের আস্থা পুনরুদ্ধারে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এখন থেকে সব তফসিলি ব্যাংকের চেয়ারম্যান, পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহীদের দুর্নীতিবিরোধী লিখিত অঙ্গীকারনামা দিতে হবে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জারি করা এ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অঙ্গীকারনামা শুধু স্বাক্ষরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কক্ষে দৃশ্যমান স্থানে তা প্রদর্শন করতে হবে।

অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ থাকবে, কোনো ধরনের দুর্নীতি, ঘুষ, জাল ঋণ, ভুয়া জামানত বা আর্থিক অনিয়মে জড়াবেন না সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি এসব অনিয়মে কাউকে প্রশ্রয় না দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও থাকতে হবে। নতুন নিয়োগ বা পুনর্নিয়োগের ক্ষেত্রেও এ অঙ্গীকারনামা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, গ্রাহকের অভিযোগ গ্রহণে প্রতিটি ব্যাংকে অভিযোগ বাক্স ও কিউআর কোড রাখতে হবে, যাতে ভুক্তভোগীরা সরাসরি বিএফআইইউতে অভিযোগ জানাতে পারেন।

এ ছাড়া নীতিমালা বহির্ভূত ঋণ অনুমোদন, সম্পদের ভুল মূল্যায়ন, ভুয়া এলসি খোলা ও জাল রপ্তানি বিল তৈরিকে কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি।

বিএফআইইউ জানিয়েছে, অর্থপাচারকে রাষ্ট্রের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করা হবে।