টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির পর অবশেষে স্বস্তির আভাস মিলেছে সুনামগঞ্জে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল থেকে আকাশে রোদের দেখা মিলেছে। একইসঙ্গে জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানিও ধীরে ধীরে কমতে শুরু করায় নিম্নাঞ্চলের মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জেলার অধিকাংশ নদ-নদীর পানি এখন কমতির দিকে। ছাতক পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও আগের তুলনায় তা কমেছে।
অন্যদিকে, সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া যাদুকাটা নদীর লাউড়েরগড় ও দিরাই পয়েন্টেও পানির উচ্চতা হ্রাস পেয়েছে।
গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে সুরমা, কুশিয়ারা, যাদুকাটা, বৌলাইসহ জেলার প্রায় সব নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে যায় এবং নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
তবে সোমবার বিকেলের পর থেকে বৃষ্টি না হওয়া এবং রোদ ওঠার ফলে নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। অনেক এলাকায় প্লাবিত গ্রামীণ সড়ক থেকে পানি নেমে যাওয়ায় ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। কোথাও কোথাও এখনো পানি থাকলেও আগের তুলনায় স্রোতের তীব্রতা অনেকটাই কমেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক দিনের দুর্ভোগের পর রোদের দেখা পাওয়ায় তারা স্বস্তি অনুভব করছেন। তবে নিচু এলাকায় এখনো পানি জমে রয়েছে। তাদের মতে, পানি পুরোপুরি না নামা পর্যন্ত স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী-২ মো. এমদাদুল হক বলেন, সোমবার বিকেল থেকে রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া থাকায় নদ-নদীর পানি ধীরে ধীরে কমছে। যেসব এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল, সেখানকার পরিস্থিতিও স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!