নারায়ণগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণ: একে একে চলে গেলন পরিবারের ৫ জনই
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট।   ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আবাসিক ভবনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে আরও এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম সায়মা (৩৫)। শুক্রবার (১৫ মে) সকালে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ নিয়ে ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের সবাই প্রাণ হারালেন।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সায়মার শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এর আগে একই ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তার স্বামী মো. কালাম (৪০), ছেলে মুন্না (১২), মেয়ে কথা (১০) ও মুন্নি (৭)।

চিকিৎসকরা জানান, দগ্ধ সবারই শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের অবস্থা প্রথম থেকেই আশঙ্কাজনক ছিল।

গত রোববার সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার শাহজাহান মিয়ার মালিকানাধীন একটি নয়তলা ভবনের নিচতলায় এ বিস্ফোরণ ঘটে। জানা গেছে, বদ্ধ ঘরে আগে থেকেই গ্যাস জমে ছিল। সকালে ভাড়াটিয়া কালাম লাইটার দিয়ে সিগারেট জ্বালাতে গেলে মুহূর্তেই পুরো ঘরে আগুন ধরে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে সপরিবারে দগ্ধ হন কালাম। এই ঘটনায় একে একে পরিবারের সব সদস্যের মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ বিষয়ে ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের সবাই মারা গেছেন। সালমার শ্বাসনালীসহ শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) ভর্তি ছিলেন তিনি। সেখানেই আজ সকালে তিনি মারা যান।