কৃষিপণ্য কেনাবেচায় ‘ধলতা’ প্রথায় অতিরিক্ত পণ্য আদায় বন্ধের নির্দেশ
কৃষিপণ্য কেনাবেচায় ‘ধলতা’ প্রথায় অতিরিক্ত পণ্য আদায় বন্ধের নির্দেশ   ছবি: আরটিএনএন

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে কৃষিপণ্য কেনাবেচার সময় ‘ধলতা’ বা ‘শুকনা প্রথা’র নামে অতিরিক্ত পণ্য আদায় বন্ধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে)  দুপুরে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিফাতুল হকের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদ আহম্মেদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন, জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা নাইম আহমেদ, উপজেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা আকমল হোসেন, পাংশা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল গণি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. চাঁদ আলী খান, সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, পাংশা বাজার শিল্প ও বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার সরদার এবং পাংশা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি একে আজাদ। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও আড়তদারেরা সভায় অংশ নেন।

সভায় ইউএনও মো. রিফাতুল হক বলেন, কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের সময় এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ও মধ্যস্বত্বভোগী ‘ধলতা’ বা ‘শুকনা’ গ্রহণের অজুহাতে কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি ৪০ কেজিতে অতিরিক্ত ২ থেকে ৩ কেজি পণ্য আদায় করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি সরকারের কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের নজরে এসেছে।

তিনি বলেন, সরকার ইতোমধ্যে পেঁয়াজ ও আমসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ওজনে অনিয়ম রোধে একটি পরিপত্র জারি করেছে। ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, কৃষকদের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে ‘ধলতা’র নামে অতিরিক্ত পণ্য নেওয়া ‘মানদণ্ড আইন, ২০১৮’-এর অধ্যায় ৪-এর ধারা ২৯ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

কৃষকদের আর্থিক হয়রানি থেকে রক্ষা এবং বাজার ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন ইউএনও।