নানা সংকটে ব্যাহত হচ্ছে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যসেবা। চিকিৎসক ও জনবল সংকট, ওষুধের ঘাটতি এবং চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির কারণে কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা রোগীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চিকিৎসক সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার বন্ধ রয়েছে। এক্স-রে মেশিন চালু থাকলেও নানা অজুহাতে তা সচল থাকে না নিয়মিত। পাশাপাশি প্যাথলজি পরীক্ষাও ঠিকভাবে সম্পন্ন হয় না। এমনকি পদায়ন থাকা সত্ত্বেও অনেক চিকিৎসক হাসপাতালে যান না বলে অভিযোগ রয়েছে।
উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামের বাসিন্দা রহিম উদ্দিন বলেন, ‘সকাল থেকে হাসপাতালে বসে আছি, কিন্তু এখনো ডাক্তার দেখাতে পারিনি। আমরা গরিব মানুষ, বারবার শহরে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব না। এখানে ঠিকমতো সেবা পেলে আমাদের অনেক উপকার হতো।’
হরিশপুর গ্রামে সালমা খাতুন বলেন, ‘আমার বাচ্চাকে নিয়ে অনেক দূর থেকে এসেছি। ডাক্তার না থাকায় ঠিকভাবে চিকিৎসা পাচ্ছি না। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হয়, যেখানে খরচ অনেক বেশি। এর আগেরদিন হাসপাতালে আসছিলাম। ডাক্তার এক্সরে করতে দিয়েছিলো। হাসপাতালে নাকি হয় না তাই বাইরে থেকে করতে হয়েছিলো।’
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান বলেন, হাসপাতালে যে ৩ জন চিকিৎসক ঠিক মত আসেন না তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি হাসপাতালের সেবার মান বৃদ্ধি করতে।
উল্লেখ্য, হরিণাকুন্ডু উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবার জন্য ২০০৫ সালে হাসপাতালটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এখানে অনুমোদিত ১৬৭ জন জনবলের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৯৯ জন। প্রতি মাসে প্রায় ১৩ হাজার রোগী এই হাসপাতাল থেকে সেবা নিচ্ছেন।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!