বজ্রপাত।
বজ্রপাত।   ফাইল ছবি

টুয়াখালীতে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় চারজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। একই সময়ে বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে গবাদিপশুও।

নিহতরা হলেন: কলাপাড়া উপজেলার তারিকাটা গ্রামের জহির উদ্দিন, পূর্ব চাকামাইয়া গ্রামের সেতারা বেগম, শান্তিপুর গ্রামের খালেক হাওলাদার এবং রাঙ্গাবালী উপজেলার চরগঙ্গা গ্রামের সৌরভ মজুমদার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের দিকে নিজ জমিতে ভুট্টাক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মারা যান জহির উদ্দিন। একই সময়ে গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রাঘাতে প্রাণ হারান সেতারা বেগম। কাছাকাছি সময়ে মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন খালেক হাওলাদার।

অন্যদিকে, সকালে মাঠে গরু বাঁধতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যান সৌরভ মজুমদার। হঠাৎ বজ্রপাতের কারণে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, বজ্রপাতে নিহতদের পরিবারের খোঁজখবর নিতে গ্রাম পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।

এদিকে, চলমান বৈরী আবহাওয়ার কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় গবাদিপশুরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গত দুই দিনে কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালীসহ বিভিন্ন উপজেলায় বজ্রপাতে অন্তত ৫০টি গরুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত খামারি ও কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ করে ঘন ঘন বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় খোলা মাঠে কাজ করা বা গবাদিপশু নিয়ে বের হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এবং বজ্রপাত থেকে রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। 

এসএস