নওগাঁর মহাদেবপুরে প্রেমসংক্রান্ত পুরোনো বিরোধের জেরে সিফাত উল্লাহ সৈকত নামের এক তরুণকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, বাগডোব এলাকার এক তরুণীর সঙ্গে সিফাতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে ওই তরুণীর অন্যত্র বিয়ে হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তরুণীর বর্তমান স্বামী আল রাফি রিমন ও তাঁর সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে সিফাতকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৩ এপ্রিল সন্ধ্যায় ব্যক্তিগত কাজে বাগডোব উচ্চবিদ্যালয়ের গেটের সামনে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সিফাতের ওপর হামলা চালানো হয়। রিমন ও রুহুল আমিন ওরফে জাকারিয়ার নেতৃত্বে ৪-৫ জন যুবক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর চড়াও হন।
হামলাকারীরা লোহার রড, লাঠি ও ধারালো হাসুয়া দিয়ে সিফাতকে আঘাত করেন। হাসুয়ার কোপ ঠেকাতে গেলে তাঁর ডান হাত ভেঙে যায় এবং কনুইয়ের ওপর গুরুতর জখম হয়। লোহার রডের আঘাতে ঘাড়েও আঘাত পান তিনি। পরে তাঁকে ফেলে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় হামলাকারীরা তাঁর পকেট থেকে একটি দামী মুঠোফোন ভেঙে ফেলে এবং সাড়ে ছয় হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। সিফাতের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তাঁকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
পরে আহত সিফাতকে উদ্ধার করে মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
মামলার ১ নম্বর আসামি চান্দাশ ইউনিয়নের আমিনুল হোসেনের ছেলে আল রাফি রিমন (২৮)। ২ নম্বর আসামি রুহুল আমিন (জাকারিয়া)। ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে হামলার পর থেকে ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!