গোমস্তাপুরের একটি পেট্রলপাম্পে  পুলিশের এক কনস্টেবল মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
গোমস্তাপুরের একটি পেট্রলপাম্পে পুলিশের এক কনস্টেবল মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।   ছবি: আরটিএনএন

গোমস্তাপুরে একটি পেট্রলপাম্পে পুলিশের কনস্টেবলকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। রোববার উপজেলার খয়রাবাদ এলাকায় রায়হান ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ।

অভিযোগ অনুযায়ী, গোমস্তাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল রায়হান ওই কনস্টেবলকে মারধর করেন। তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেনের ছেলে এবং রায়হান ফিলিং স্টেশনের সত্ত্বাধিকারী।

জানা যায়, মারধরের শিকার কনস্টেবল শওকত হোসেন নাচোল থানায় কর্মরত।

এ বিষয়ে নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, থানার একটি মেরামতাধীন গাড়ির জন্য ইঞ্জিন ওয়েল নিতে শওকত ওই পেট্রলপাম্পে যান। নির্ধারিত স্লিপ জমা দিয়ে অপেক্ষা করার সময় রায়হান তাকে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে রায়হান তাকে চড় মারেন এবং পরে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ওসি আরও বলেন, শওকতের মুখ ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে চিকিৎসার জন্য গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ দিকে গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নূরে আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেছে। তবে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল ত্যাগ করায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল রায়হান ও তার বাবা আশরাফ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। তবে রায়হানের ভাই ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল গণি হামিদ চৌধুরী বলেন, ঘটনার সময় তারা কেউ উপস্থিত ছিলেন না এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরে মন্তব্য জানানো হবে।

বিএনপির গোমস্তাপুর উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘আব্দুল্লাহ আল রায়হান ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি।’

তবে অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।