বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ জরুরী অবস্থায় অ্যাম্বুলেন্স সেবা না পাওয়া, বাস নির্ধারিত স্থানে না থামা, এমনকি টাকার বিনিময়ে যাত্রী তোলার ঘটনাও ঘটছে।
সোমবার (১৯ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জরুরী অবস্থায় অ্যাম্বুলেন্সের জন্য ফোন দিলে জানানো হয়, অ্যাম্বুলেন্সে তেল নেই। এছাড়াও পীরগঞ্জ রুটে চলাচলকারী বাস বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে যাত্রী তোলে এবং নির্ধারিত স্থানে থামে না—এমন অভিযোগও উঠেছে।
অ্যাম্বুলেন্স সেবা না পেয়ে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী শাফায়েত শুভ বলেন, “এটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চরম উদাসীনতা। অ্যাম্বুলেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ গাড়িতে যদি তেল না থাকে, এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না। বাসগুলো ঠিকই চলছে, প্রশাসনের অন্যান্য গাড়িও চলছে—তাহলে অ্যাম্বুলেন্সের ক্ষেত্রে এই অজুহাত কেন? এটা প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন থেকে যাবে।”
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী গোলাম মোর্শেদ তামি বলেন, “ক্যাম্পাস থেকে পীরগঞ্জ রুটে চলাচলকারী বাসে স্থানীয় যাত্রী তোলা হচ্ছে এবং তাদের কাছ থেকে ভাড়াও নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বাসটি ওভারব্রিজ দিয়ে যাওয়ায় নিচে যাওয়ায় শিক্ষার্থী বাসে উঠতে পারে না। ফলে শিক্ষার্থীরা ঠিকভাবে যাতায়াত করতে পারছে না। এছাড়াও চালক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন।”
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান সিয়াম বলেন, “শিক্ষার্থীদের জীবনের চেয়ে কি তেলের দাম বেশি? প্রশাসনিক কাজে গাড়ি চললেও মুমূর্ষু শিক্ষার্থীর প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়া চরম অব্যবস্থাপনা ও অমানবিকতার প্রকাশ। সাধারণ শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়ে এমন তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার অধিকার কারও নেই। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ভবিষ্যতে নিরবচ্ছিন্ন অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের স্বচ্ছ ও স্থায়ী প্রতিশ্রুতি দাবি করছি।”
মেডিকেল সেন্টারের পরিচালক ডাক্তার এ.এম.এম শাহরিয়ার কবির বলেন,তৈল, চালক অর্থাৎ গাড়িকে চলন্ত রাখার সম্পুর্ণ দায়িত্ব পরিবহন পুলের।আমাদের দায়িত্ব পরিচালনা করা।আমার কাছে ফোন আসছে তো আমার কাজ গাড়িটা তাদের দেয়া।অনেক সময় আমরা এম্বুলেন্স ছাড়াও সার্ভিস দিয়েছি।তেলের জন্য তারা তিনদিন থে্কে চেষ্টা করেছে। যে পাম্প থেকে তেল নেওয়া হয়।সেখানেও তিনদিন যাবৎ তেল নেই।আজকে তেল পেয়েছে।
পরিবহন পুলের পরিচালক মাসুদ রানা বলেন, “অ্যাম্বুলেন্স কে ব্যবহার করবে, না করবে তা সম্পূর্ণভাবে মেডিক্যাল সেন্টারের দায়িত্ব। আমাদের নীতিমালায় অ্যাম্বুলেন্স সেবা মেডিক্যাল সেন্টারের অধীনেই রয়েছে। বাহিরের যাত্রী তোলার বিষয়ে একটি ভিডিও আমার নজরে এসেছে। এ বিষয়ে আমি ডিপো ম্যানেজারকে চিঠি দিয়েছি। তিনি জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট চালককে আজই সাময়িক বরখাস্ত করা হবে। এছাড়া গাড়িগুলো নির্ধারিত স্থানেই থামে বলে জানান তিনি।
News magazine bootstrap themes!
I like this themes, fast loading and look profesional
Thank you Carlos!
You're welcome!
Please support me with give positive rating!
Yes Sure!